সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলার খুব একটা বদনাম নেই বক্সীবাবুর। বরং কিছু জানতে চাইলেই গলা খাঁকারি দিয়ে ওঠেন। বুধবারের বৈঠকের ব্যাপারেও সুব্রত বক্সী বাইরে কিছু বলেননি।
.jpeg.webp)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী ও প্রতীক জৈন।
শেষ আপডেট: 28 May 2025 16:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে তৃণমূলে জেলা স্তরের রদবদল হয়েছে। সেই রদবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দুদিন আগে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে দেখা করেছিলেন আই-প্যাকের প্রতীক জৈন। পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধেয় কালীঘাটে দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন দিদি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরই জেলা সংগঠনের নতুন তালিকা প্রকাশ হয়েছিল শুক্রবার।
জেলা স্তরে সেই রদবদলের পর যে এবার ব্লক স্তরে রদবদল হবে সেই ইঙ্গিত সম্প্রতি দিয়েছেন অভিষেক। ঠিক এমনই প্রেক্ষাপটে বুধবার নবান্নে দেখা গেল তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে (Subrata Bakshi)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ছিলেন বক্সী। তার পরই দলের অন্দরে কৌতূহল যে, এও কি কোনও ইঙ্গিত! নইলে সুব্রত বক্সী পারতপক্ষে নবান্নে দিদির সঙ্গে দেখা করতে যান না। তিনি যান কালীঘাটে, মমতার বাড়িতে।
সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলার খুব একটা বদনাম নেই বক্সীবাবুর। বরং কিছু জানতে চাইলেই গলা খাঁকারি দিয়ে ওঠেন। বুধবারের বৈঠকের ব্যাপারেও সুব্রত বক্সী বাইরে কিছু বলেননি।
তবে তৃণমূল সূত্রে খবর, ব্লক স্তর রদবদল ও তালিকা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এ ব্যাপারে আই প্যাক স্থানীয় স্তরে একটা সমীক্ষা চালিয়েছিল। তা ছাড়া সমস্ত বিধায়কদের থেকে ব্লক সভাপতি পদের জন্য তিনটি করে নাম চেয়ে পাঠিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দুই তালিকা পাশাপাশি ফেলে ব্লক সভাপতি বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাতে এক প্রকার সম্মতি দিয়েছেন। মে মাসের মধ্যে সেই তালিকাও প্রকাশ হয়ে যেতে পারে।
লোকসভা ভোটের পর পরই এই সব বদল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রথমে আরজি কর পর্ব ও পরে দলের মধ্যে মতান্তরের কারণেই দেরি হয়েছে। শুরু থেকেই ঠিক ছিল, একমাত্র মহিলা সংগঠন বাদ দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশনে রদবদল হবে। অর্থাৎ ছাত্র, যুব, শ্রমিক সংগঠন সর্বত্রই বদল হবে। কালীঘাটের ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, সেই অবস্থান বদলেছে বলে শোনা যায়নি। ব্লক স্তরে রদবদলের পর ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশনেও বদল হতে পারে। ছাত্র পরিষদের নতুন সভাপতি ও যুব সংগঠনের নতুন সভাপতি বা সভানেত্রী কে হবেন তা নিয়েই এখন আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।