মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ মারেন এক যাত্রী। লঞ্চে থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করেন। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে বিএলওকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শেষ আপডেট: 21 February 2026 13:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ দিলেন এক বিএলও (BLO Death News)। এসআইআর (SIR) এর চাপ সামলাতে না পেরেই এমন সিদ্ধান্ত বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ল শ্রীরামপুরে।
বিএলও মহম্মদ কায়ামুদ্দিন টিটাগড়ের বাসিন্দা। তিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক। শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট (Serampore Ferry Ghat) থেকে যাত্রী বোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ফেরিঘাটে যাচ্ছিল। মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ মারেন এক যাত্রী। লঞ্চে থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করেন। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে বিএলওকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মহম্মদ কায়ামুদ্দিন কাঁচড়াপাড়ার একটি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক। বিএলও হিসাবে কাজ করছিলেন এসআইআরএ। তাঁর বুথে ১২৪৫ জন ভোটার আছে। এসআইআর এর নথি ভর্তি ব্যাগ মোবাইল ফোন লঞ্চে রেখে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন তিনি।
ওই শিক্ষক দাবি করেন, তিনি চাপ নিতে পারছিলেন না। ডিজিটালাইজেশন এর ক্ষেত্রে তাঁর অক্ষমতা আছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের জানিয়েছেন, কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। দিনের পর দিন তাকে এসআইআর এর কাজ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। আজ সকালে ব্যারাকপুর থেকে শ্রীরামপুরে আসেন। পরে শ্রীরামপুর থেকে ব্যারাকপুরে যাওয়ার সময় গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
ফেরিঘাটের কর্মী বাবলু বলেন, "হঠাৎ গঙ্গায় ঝাঁপ দেন ওই যাত্রী। আমরা তাকে উদ্ধার করি। পরে জানতে পারি তিনি একজন বিএলও। পুলিশ ও তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।" শ্রীরামপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্তোষ কুমার সিং বলেন, তাড়াহুড়ো করে এসআইআর করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন মানুষকে হয়রান করছে। অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এবার মানসিক অবসাদে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এই বিডিও। মানুষ এর জবাব দেবে নির্বাচনে।"