বাংলাদেশের ঘটনাও উঠে আসে শুভেন্দু অধিকারীর কথায়। বলেন, হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে কী হবে তা ওপার বাংলাকে দেখলেই বোঝা যায়। তাঁর দাবি, একসময়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা ৩০ শতাংশ ছিল, এখন ৭ শতাংশে ঠেকেছে।
.jpg.webp)
শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 3 January 2026 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমার বলার কিছু নেই - নন্দীগ্রামের (Nandigram) সভায় এই বলে নিজের বক্তব্য শুরু করে সেই হিন্দুত্ব ইস্যুতেই রাজ্যের সরকারকে বিঁধলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের অধিকাংশটাই জুড়ে ছিল হিন্দুদের এক হওয়ার বার্তা। নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতিও সহানুভূতি প্রকাশ করেন শুভেন্দু।
'জানি আপনাদের অনেক চাপে থাকতে হয়...' নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে এমনটাই বললেন বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA)। কেন এমন মন্তব্য করলেন শুভেন্দু? ব্যাখ্যা নিজেই দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ''এখানে হিন্দুদের সংখ্যা কম। তাই চাপ থাকে এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই।'' এই প্রসঙ্গে অতীতের কিছু খুনের ঘটনার কথা বলেন শুভেন্দু আরও বলেন, হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে অত্যাচার আরও বাড়বে, খুনেও ঘটনাও। তাই সব ভেদাভেদ ভুলে সকলকে এক হতে হবে - বার্তা তাঁর।
বাংলাদেশের (Bangladesh Issue) ঘটনাও উঠে আসে শুভেন্দু অধিকারীর কথায়। বলেন, হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে কী হবে তা ওপার বাংলাকে দেখলেই বোঝা যায়। তাঁর দাবি, একসময়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা ৩০ শতাংশ ছিল, এখন ৭ শতাংশে ঠেকেছে। দীপু চন্দ্র দাসের (Dipu Chandra Das) খুনের ঘটনার কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু নন্দীগ্রামের মানুষকে সতর্ক করে এও বলেন - এক না হলে এখানকার জামাত মানসিকতার কিছু গুন্ডা একইভাবে অত্যাচার করবে।
রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police) ভূমিকা নিয়ে বরাবর সমালোচনা করে আসে বিজেপি। শনিবারও ব্যতিক্রম ঘটাননি শুভেন্দু। পুলিশকে গুন্ডাদের সঙ্গে তুলনা করে দাবি করেন, গুন্ডাদের জায়গায় পুলিশকে দিয়ে অত্যাচার করাচ্ছে রাজ্য সরকার। তিনি মনে করান, কিছু গুন্ডাকে তিনি দেড় বছর জেল খাটিয়েছেন, এখন তাই তারা চাপে। তবে অপেক্ষা করছে এপ্রিল মাসের পর আবার তাণ্ডব করবে। কিন্তু তা তিনি হতে দেবেন না।
শুক্রবার মালদহের চাঁচলের (Maldah Chachol) জনসভা থেকে শুভেন্দু হুঁশিয়ারির সুরে দাবি করেছিলেন, এপ্রিল মাসের পর রাজ্যের বিরোধী দল হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে হিসেব হবে। এই বলে রাজ্যের পুলিশের একাংশের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল - সব নাম লেখা রয়েছে, সবার হিসেব বাকি।
কলকাতায় কোর কমিটির (Core Committee) বৈঠক করে অমিত শাহ আবারও ২০০ আসনের টার্গেট দেন বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। বক্তব্য ছিল, “আমরা যদি ৩ আসন থেকে ৭৭ আসনে পৌঁছতে পারি, তাহলে ৭৭ থেকে ২০০ আসনে (200 Seats) পৌঁছনো অসম্ভব কেন হবে?” সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শুভেন্দু বলেন, “যদি গোটা রাজ্যের সনাতনীরা এগিয়ে আসে তাহলে ২০০ নয়, ২২০ আসনে জিতব।”