বিজেপির মিছিল থানা চত্বরে পৌঁছলে পুলিশের সঙ্গে দলের কর্মী-সমর্থকদের কার্যত বচসা বাঁধে। হইহই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ফের একবার খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ তোলে বিজেপি।

সুকান্ত মজুমদার
শেষ আপডেট: 5 November 2025 18:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত শনিবার জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja) ভাসান চলাকালীন কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) তৈরি হয় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। আগত মানুষের ওপর লাঠিচার্জের (Lathicharge) অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ভাসান দিতে আসা মানুষের প্রতি পুলিশ অভব্য আচরণ এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করে বলেও দাবি করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদেই বুধবার কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে বিজেপি (BJP)। সেই কর্মসূচি ঘিরেও উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। পুলিশকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)।
বিজেপির মিছিল থানা চত্বরে পৌঁছলে পুলিশের সঙ্গে দলের কর্মী-সমর্থকদের কার্যত বচসা বাঁধে। হইহই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ফের একবার খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ তোলে বিজেপি। পরে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) পুলিশের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ''৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানার আইসি-কে পরিবর্তন না করলে আন্দোলন আরও বৃহত্তর হবে।''
সুকান্তর কথায়, ''কোতোয়ালি থানার আইসি অসভ্য ব্যবহার করেছেন। কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) মানুষ বিশেষ করে মহিলাদের প্রতি খারাপ আচরণ করেছেন তিনি। তার বিরুদ্ধেই আজকের কর্মসূচি ছিল। আর এখানেই পুলিশ স্বীকার করে নিয়েছে যে তাদের পুলিশমন্ত্রী অপদার্থ!'' কেন এমন বললেন সুকান্ত। তিনি জানিয়েছেন, কোতোয়ালি থানারই পুলিশই নাকি বলেছে, তাঁরা ২৪ জন মিলে ২৪ হাজার লোক সামলান। এমন অবস্থা হলে পুলিশ এবং পুলিশমন্ত্রীকে অপদার্থ বলতেই হবে। এরকম পুলিশ বাহিনী না থাকা ভাল।
পুলিশকে ফের একবার দলদাস বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত। বক্তব্য, ২৪ জনকে ২৪ হাজার লোক সামলাতে হবে কেন। এটা তো পুলিশেরই ব্যর্থতা। কিন্তু এসব না দেখে পুলিশ দালালি করছে। ডিএ পাচ্ছে না, এদিকে তৃণমূলকে ভোট দিচ্ছে। সুকান্তর ঘোষণা - তৃণমূলকে না দিয়ে বিজেপিকে ভোট দিন, ২৪০০ পুলিশ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।
ঠিক কী হয়েছিল
জগদ্ধাত্রী পুজোর ভাসানে সাধারণ মানুষের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। সেই ভিডিও ভাইরালও হয়। বিজেপি এই ঘটনা সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনকে দায়ী করেছে। তারা নিজেরাই প্ল্যান করতে পারেনি এবং নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে বলেই কটাক্ষ করা হয়।