সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস বানানোর নাম করে দিনের পর দিন নাবালিকার গোপন ছবি তুলে রাখা হত, একাধিকবার ধর্ষণও করা হয়েছে, এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ইউটিউবার ও তাঁর নাবালক ছেলেকে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 12 October 2025 14:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস বানানোর নাম করে দিনের পর দিন নাবালিকার গোপন ছবি তুলে রাখা হত, একাধিকবার ধর্ষণও করা হয়েছে, এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ইউটিউবার ও তাঁর নাবালক ছেলেকে। বসিরহাটে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযুক্ত ইউটিউবার হাড়োয়া থানা এলাকার বাসিন্দা। নাবালিকাও একই এলাকায় থাকে। জানা গেছে, নির্যাতিতার বাবা পুলিশে কর্মরত। অভিযোগ, ওই ইউটিউবার ও তাঁর নাবালক ছেলে নাবালিকাকে রিলস ও ভিডিও বানানোর নাম করে গোপন ছবি তুলে রেখে দিত। পরে সেগুলি দিয়েই ব্ল্যাকমেল করা হত। এমনকি একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।
তদন্তে আরও জানা গেছে, মূল অভিযুক্ত ও তাঁর নাবালক ছেলে নির্যাতন চালায়। এনিয়ে মুখ খুললে গোপন ছবি-ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
গত শুক্রবার নির্যাতিতা সহ্য করতে না পেরে পরিবারের কাছে গোটা বিষয়টি খুলে বলে। এরপরই হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। রবিবার সকালে অভিযুক্ত দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়।
দুর্গাপুরে ওড়িশার ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য। সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে ওই ছাত্রী কলেজের হস্টেল থেকে এক বন্ধুর সঙ্গে খাবার খেতে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, ফেরার পথে তাঁকে জোর করে একটি নির্জন জঙ্গলে টেনে নিয়ে যায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় (Durgapur Medical Student Assault)। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং ৩ হাজার টাকা চায়। মেয়েটি টাকা দিতে না পারায় তাঁকে মারধরও করা হয়। কিছু সময় পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর বন্ধু তাঁকে উদ্ধার করে।
নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ, 'রাত দশটার পর ফোন পেয়ে কলেজে পৌঁছাই। মেয়েকে ভয়ংকর অবস্থায় পাই। ওর শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছিল।' ঘটনার রাতে যেই বন্ধুর সঙ্গে তরুণী বেরিয়েছিলেন, তাঁকে পুলিশ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে অন্তত পাঁচজন যুবক উপস্থিত ছিল। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ' গতকাল রাতে দুর্গাপুরে একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে জঙ্গল এলাকায় যৌন হেনস্থার শিকার হওয়ার ঘটনায় পুলিশ তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। কেউ রেহাই পাবে না। নির্যাতিতার কষ্ট যতটা ওড়িশার ততটাই আমাদের।'
দুর্গাপুরকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যেই বসিরহাটে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।