ভুক্তভোগী পরিমল বিশ্বাসের দাবি, দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভোট দিতে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছে তাঁকে। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের নাম ভোটার তালিকায় থাকলেও তাঁর নাম বারবার বাদ গিয়েছে।

গাইঘাটার এই বাসিন্দার নাম বাদ গেছে
শেষ আপডেট: 12 August 2025 16:23
পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরু হওয়ার আগেই গাইঘাটা ব্লকের সুটিয়া-তেঘরিয়ায় সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। অভিযোগ, এক ব্যক্তির ভোটার কার্ড নম্বর ও ঠিকানা বদলে নিজের ছবি বসিয়ে অন্য একজন ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। ফলে প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
ভুক্তভোগী পরিমল বিশ্বাসের দাবি, দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভোট দিতে গিয়েও ফিরে আসতে হয়েছে তাঁকে। বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের নাম ভোটার তালিকায় থাকলেও তাঁর নাম বারবার বাদ গিয়েছে। কারণ বুঝতে দিনের পর দিন কেটে গিয়েছে দিনমজুর মানুষটির।
সম্প্রতি অন্যের সাহায্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁর নাম, বাবার নাম ও ভোটার আইডি নম্বর ঠিক একই থাকলেও তালিকায় যুক্ত হয়েছে এক অন্য ব্যক্তির ছবি ও ঠিকানা। সেটি রয়েছে বারাসত লোকসভার অন্তর্গত রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভার ১০২ নম্বর বুথের ভোটার তালিকায়, ক্রমিক নম্বর ৪১৩-এ। অথচ পরিমলবাবু জানান, তিনি কখনও ভোটার তালিকা স্থানান্তরের আবেদন করেননি এবং ওই অঞ্চলে তার কোনও আত্মীয়ও নেই।
এ নিয়ে গাইঘাটা থানা, পঞ্চায়েত সমিতির সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং ব্লক অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগ দায়েরের পরেই তাঁকে কাগজপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিমলবাবুর ক্ষোভ, “আমি এই দেশের নাগরিক হয়েও ভোট দিতে পারছি না। আমার নাম সুটিয়া-তেঘরিয়া বুথে ফিরিয়ে দিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ ফিরিয়ে দিক প্রশাসন।” এ প্রসঙ্গে গাইঘাটা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিজিৎ বিশ্বাস নির্বাচন কমিশনের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন। গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, "ওই ব্যক্তিকে অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ৮ নম্বর ফর্ম জেনারেট করতে বলা হবে। তাহলেই উনি ঠিক কী ধরণের সমস্যায় পড়েছেন তা জানা যাবে। তারপরেই সমাধানের পর্ব।"