ব্যারাকপুরের সভা শেষ করে শাহ কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা দেবেন। বিকেলে তাঁর আরেকটি বড় কর্মী সম্মেলন হবে এয়ারফোর্স ময়দানে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 31 January 2026 00:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) পর ফের বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Kolkata)। শুক্রবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন দলের রাজ্য নেতৃত্বের নেতা-সহ দলের কর্মীরাও। বিমানবন্দর থেকেই সোজা চলে যান নিউটাউনের হোটেলে। সেখানে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এদিন ঘোষিত কোনও কর্মসূচি না থাকলেও অমিত শাহের (Amit Shah meeting) এই বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
শাহের সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই তৎপর প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ব্যারাকপুর আনন্দপুরী মাঠ পরিদর্শন করেছেন পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ মনে করছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক বা মার্চের শুরুতেই বিধানসভা ভোটের (WB Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে বলে জল্পনা। তার আগেই সংগঠনের ভিত শক্ত করা, দুর্বল অঞ্চল চিহ্নিত করা এবং রাজ্য থেকে মণ্ডলস্তর পর্যন্ত নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় ফেরানো, এই তিন লক্ষ্যেই শাহের সফর।
শনিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর সফর দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন অমিত শাহ। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে তিনি পৌঁছবেন আনন্দপুরী মাঠে, যেখানে ব্যারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট ও বারাসত— এই চার সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীদের নিয়ে কর্মী সম্মেলন করবেন।
ব্যারাকপুরের সভা শেষ করে শাহ কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা দেবেন। বিকেলে তাঁর আরেকটি বড় কর্মী সম্মেলন হবে এয়ারফোর্স ময়দানে। সেখানে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের পাঁচ সাংগঠনিক জেলার কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। দিনের কর্মসূচি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে ফিরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই বৈঠকগুলিতে দলের রণকৌশল নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে।
২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Exam)। তখন রাজ্যজুড়ে সভা-মিছিল ও মাইক ব্যবহারে কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর থাকে। ফলে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে গেলে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা। তাই জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্য সফর সেরে নেওয়াকে ‘কৌশলগত সিদ্ধান্ত’ হিসেবেই দেখছে বিজেপির অন্দরমহল।