এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল। তারা আরও দাবি করেছে, শুধুমাত্র একটি রাজ্যে নয়, একইভাবে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও যেসব প্রশাসনিক বদলি হয়েছে, তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা উচিত বলেই মত তাদের।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 3 April 2026 21:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের মুখে (West Bengal Assembly Election 2026) নির্বাচন কমিশনের (ECI) নির্দেশ মেনেই সাম্প্রতিক প্রশাসনিক বদলিগুলি (Election Commission Transfers West Bengal) করা হয়েছে। তাই এই বদলির (administrative reshuffle west bengal) ফলে যে প্রশাসনিক অস্থিরতা বা বিঘ্নের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটি আসলে ওই সিদ্ধান্তগুলির স্বাভাবিক পরিণতি - নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি কটাক্ষ তৃণমূলের (AITC reaction administrative reshuffle), বলছে সূত্র।
এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল। তারা আরও দাবি করেছে, শুধুমাত্র একটি রাজ্যে নয়, একইভাবে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও যেসব প্রশাসনিক বদলি হয়েছে, তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা উচিত বলেই মত তাদের।
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আলাদা করে অন্য কোনও কারণ খোঁজার প্রয়োজন নেই, এই অশান্তির সূত্রপাত ওই ট্রান্সফার প্রক্রিয়াতেই নিহিত বলে দাবি করেছে তৃণমূল। তাতে সরাসরি এটা তো স্পষ্টই রাজ্যে সাম্প্রতিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে কমিশনের দিকে আঙুল তুলেছে দল। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে অশান্তির ঘটনা ঘিরে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতে তৃণমূল তথা রাজ্যের শাসক দলের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
দলের সাফ বক্তব্য, প্রশাসনিক স্তরে এই বদলিগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট মানদণ্ড বা ‘ক্রাইটেরিয়া’ অনুসরণ করেই একাধিক আধিকারিককে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, একসঙ্গে যে পাঁচটি রাজ্যে ভোট হতে চলেছে, সেই সব রাজ্যের প্রশাসনিক রদবদলের তথ্য সামনে আনা হোক, তৃণমূলের সেই দাবি যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে যাতে নির্বিঘ্নে এবং অবাধে ভোট হয় সেই লক্ষ্যে একের পর এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তরে রদবদল তার মধ্যে অন্যতম পদক্ষেপ।
কমিশনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের এই অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনিক পদক্ষেপগুলির নিরপেক্ষতা ও প্রভাব নিয়ে।