২০২২ ও ২০২৩— টানা দুই বছর কেষ্ট ছিলেন না গ্রামে। তিহার জেলের অন্ধকারে বন্দি তিনি, ফলে ফিকে হয়ে গিয়েছিল উৎসবের আমেজ। গত বছর মুক্তি পেলেও জাঁকজমক ছিল অনেকটাই কম। তবে এ বছর ছবি একেবারে উল্টে গিয়েছে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 27 September 2025 12:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বীরভূমের নানুরের হাটসেরান্দি গ্রামে দুর্গাপুজো (Durga Puja, Village) মানেই মোড়ল পরিবারের উত্সব। আর সেই উৎসবের প্রাণকেন্দ্র অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)! রাজনীতির মঞ্চে উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামকেও এনে দিয়েছেন আলোর কেন্দ্রে। তাঁর হাত ধরেই হাটসেরান্দির শতাব্দী প্রাচীন মোড়লবাড়ির পুজো আজ বিখ্যাত।
২০২২ ও ২০২৩— টানা দুই বছর কেষ্ট ছিলেন না গ্রামে। তিহার জেলের অন্ধকারে বন্দি তিনি, ফলে ফিকে হয়ে গিয়েছিল উৎসবের আমেজ। গত বছর মুক্তি পেলেও জাঁকজমক ছিল অনেকটাই কম। তবে এ বছর ছবি একেবারে উল্টে গিয়েছে। ফের জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন অনুব্রত। তাই পুজোয় তাঁর গ্রামে ফেরা ঘিরে আলাদা উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্যে।
গ্রামের প্রবীণ নীহার ঘোষের কথায়, “গত বছর সেরকম আয়োজন হয়নি। এ বছর আবার পাঁচ দিন ধরেই ভুরিভোজের আয়োজন। ধুমধাম করেই পুজো হবে।”
গ্রামে মোট ১৮টি পুজো হলেও আসল মাতামাতি মোড়ল পরিবারের একচালার প্রতিমাকে ঘিরে। ষষ্ঠী থেকে দশমী প্রতিদিন সকাল-বিকেল গ্রামে সময় কাটাবেন কেষ্ট। সঙ্গে থাকবেন মেয়ে সুকন্যাও। রাজনৈতিক নেতাদের ভিড়ও বাড়বে স্বভাবতই।
সরাসরি নিজের মুখেই অনুব্রত মণ্ডল জানালেন, “ছোটবেলা থেকে গ্রামের পুজো দেখে বড় হয়েছি। গ্রামে এলেই মন ভরে যায়। সহজ-সরল মানুষের সঙ্গে দেখা হলে খুব ভাল লাগে।”
গ্রামের আবেগ তাই এ বছর ফের উথলে উঠেছে। উমার আগমনের সঙ্গেই যেন কেষ্টর আগমনের জন্যই প্রহর গুনছে হাটসেরান্দি।