১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 11 December 2025 19:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসআইআর (SIR) এর প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ। কমিশনের (Election Commission) তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৮ লক্ষর কিছু বেশি। অর্থাৎ এবারের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে এই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ যাবে!
বৃহস্পতিবারই ছিল এনুমারেশন ফর্ম (Enumeration form) জমা দেওয়ার শেষ দিন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাত ১২টা পর্যন্ত বিএলও-রা অ্যাপে তথ্য আপলোড করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে নাম বাদ যাওয়ার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
কমিশন সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজ্যে আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৮ লক্ষ ৮ হাজার ২৩২টি।
এর মধ্যে
মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৬৯৯
খুঁজে পাওয়া যায়নি ১২ লক্ষ ১ হাজার ৪৬২
স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ৯৩ হাজার ৮৭
ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৭৫
অন্যান্য ৫৭ হাজার ৫০৯ জন।
১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে (হিয়ারিং) ডাকা এবং আলোচনার সাপেক্ষে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরও-রা করবেন ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এদিকে এদিন ফলতায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observer) সি মুরুগান। মৃত ভোটারদের নাম কি রেখে দেওয়া হচ্ছে ভোটার তালিকায়? গত কয়েকদিন ধরেই এই নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। আবার অনেক ভোটকেন্দ্রে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা কোনও ভোটারের মৃত্যু না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।
সেই আবহে এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন বিধানসভা পরিদর্শনে যান কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সি মুরুগান। তখনই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। কমিশনের বাকি সদস্যদের দিকে ঝাঁটা হাতে তেড়ে যান মহিলারা।
এ ব্যাপারে পরে জানতে চাওয়া হলে রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অবজারভারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও অসুবিধা এখনও পর্যন্ত নেই। তবে লিখিত কিছু রিপোর্ট দিলে খতিয়ে দেখা হবে।
ফলতার ঘটনা প্রসঙ্গে সিইও জানান, ওখানে যথেষ্ট নিরাপত্তা ছিল। সি মুরুগন পরে অফিসে (সিইও দফতরে) এসেওছিলেন।