পুজোর মরসুমে নতুন এই আকর্ষণ নিঃসন্দেহে বাড়তি পর্যটক টানবে বলেই আশা প্রশাসনের।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 7 July 2025 20:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দার্জিলিং (Darjeeling) যাওয়ার পথ মানেই অনেকের কাছে টয়ট্রেনের নস্ট্যালজিক সফর (Toy Train )। কিন্তু সময়ের অভাবে আট ঘণ্টার সেই দীর্ঘ যাত্রা থেকে দূরে থাকেন বহু পর্যটক। এবার তাঁদের জন্যই নতুন চমক আনছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR)।
সব কিছু ঠিক থাকলে পুজোর আগেই চালু হচ্ছে টয়ট্রেনের তিনটি একেবারে নতুন শর্ট রুট। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR) সূত্রে খবর, নতুন তিনটি রুট হল—সুকনা থেকে রংটং, কার্শিয়াং থেকে মহানদী, কার্শিয়াং থেকে টুং।
এই তিনটি ছোট রুটেই এবার চলবে টয়ট্রেন।পর্যটকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। অনেকেরই দার্জিলিং পর্যন্ত দীর্ঘ সফরের সময় নেই, আবার অনেকেই পাহাড়ে ওঠা সম্ভব নয়— তাঁদের জন্যই এই ‘জয় রাইড’ ব্যবস্থা।
রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, এই রুটগুলি যেমন স্বল্প দৈর্ঘ্যের, তেমনই মনোরম প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে যাবে। যাত্রীদের জন্য ট্রেনের মধ্যে খাবারদাবারের ব্যবস্থাও থাকবে। কার্শিয়াং স্টেশনে মিউজিয়াম ঘুরে দেখার সুযোগও থাকবে যাত্রীদের জন্য। ভাড়ার পরিমাণ এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে তা মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যেই রাখা হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
এর পাশাপাশি সম্প্রতি ৪ জুলাই ‘টয়ট্রেন দিবস’ পালিত হয় সুকনা স্টেশনে। ১৮৮১ সালের এই দিনে প্রথম চালু হয়েছিল ঐতিহাসিক দার্জিলিং টয়ট্রেন। সেই ঐতিহ্য স্মরণে এই প্রথমবার নর্থবেঙ্গল পেইন্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ও দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে-র যৌথ উদ্যোগে পালিত হল দিনটি।
চিত্র প্রদর্শনী, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা ও শতাধিক ছাত্রছাত্রী এবং শিল্পীদের অংশগ্রহণে জমজমাট হয়ে উঠেছিল সুকনা স্টেশন। শিশুদের পাশাপাশি পেশাদার শিল্পীরাও তাঁদের তুলিতে ফুটিয়ে তোলেন দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ইতিহাস।
দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (DHR) আধিকারিকদের মতে, “এই তিনটি নতুন রুট চালুর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছতে পারবে টয়ট্রেন। যাঁরা দীর্ঘ সফরে যেতে পারেন না, তাঁদের জন্যও এবার পাহাড়ের স্বাদ মিলবে এই শর্ট রাইডে।” পুজোর মরসুমে নতুন এই আকর্ষণ নিঃসন্দেহে বাড়তি পর্যটক টানবে বলেই আশা প্রশাসনের।