Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

রেললাইনে উদ্ধার মা ও দুই নাবালিকার দেহ, খুনের পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা? তদন্তে পুলিশ

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাধার দেহই প্রথমে রেললাইনে রাখা হয়েছিল। সে সময় একটি পণ্যবাহী ট্রেন এসে পড়ায় তড়িঘড়ি আর দেহ রাখা সম্ভব হয়নি।

রেললাইনে উদ্ধার মা ও দুই নাবালিকার দেহ, খুনের পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা? তদন্তে পুলিশ

প্রতীকী ছবি

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 12 August 2025 12:40

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেললাইনে পরপর পড়েছিল তিনটি মৃতদেহ (3 deadbody recovered)। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন দেহগুলি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পুলিশি তদন্ত শুরু হলে তাঁদের পরিচয় জানা যায়। তবে পুরুলিয়ার (Purulia Murder Case) বাঘমুন্ডিতে এই হাড়হিম করা ঘটনায় প্রাথমিক অনুমান, খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্যই তিনটি দেহ রেললাইনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ভোররাতে সুইসা-তোরাং স্টেশনের মাঝের রেললাইনের উপর থেকে এক মহিলা ও দুই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতরা হলেন, কাজল মাছুয়া (২৫) এবং তাঁর দুই মেয়ে, ৭ বছরের রাখি ও ১৩ বছরের রাধা। রাখির ফ্রকের একটি অংশ গলায় পেঁচানো অবস্থায় ছিল। কাজলের মুখে নখের আঁচড়ের দাগ, আর রাধার মুখে ধারাল অস্ত্রের ক্ষত মিলেছে। এসব দেখে তদন্তকারীরা নিশ্চিত, দেহগুলি প্রথমে অন্যত্র খুন করে পরে রেললাইনে রাখা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাধার দেহই প্রথমে রেললাইনে রাখা হয়েছিল। সে সময় একটি পণ্যবাহী ট্রেন এসে পড়ায় তড়িঘড়ি আর দেহ রাখা সম্ভব হয়নি। পরে ট্রেন চলে গেলে তিনটি দেহ একসঙ্গে পাওয়া যায়। পুলিশের ধারণা, আততায়ীরা ট্রেন যাওয়ার পর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় বছর আগে অজয় মাছুয়ার সঙ্গে কাজলের বিয়ে হয়েছিল। অজয় কর্মসূত্রে মুম্বইয়ে থাকেন। সেখানে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। কয়েকদিন আগেই তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে মুম্বই ফিরে যান। স্ত্রী কাজল দীর্ঘদিন ধরে বাপের বাড়িতেই থাকতেন। ঘটনার দিন সকালে অজয়ই প্রথম শ্বশুরবাড়িতে খবর দেন এবং পরে পুরুলিয়া উদ্দেশে রওনা দেন। খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, পারিবারিক অশান্তি নাকি পরকীয়া- সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


```