
শেষ আপডেট: 6 January 2019 13:46
কিন্তু অঞ্জন মিত্রের মেয়ে সোহিনী মিত্র চৌবে-সহ মিত্র গোষ্ঠীর অনেকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে গো হারা হেরেছিলেন টুটু বসুর প্যানেলের কাছে। সমর্থকরা ঢেলে ভোট দিয়েছিলেন, একটিই প্রতিশ্রুতিতে, ‘স্পনসর চাই।’ উপরি যোগ হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর স্পনসর পাওয়া। কারণ, খোলা চোখে দেখলে এটা পরিষ্কার, কোয়েসের হাত ধরে ইস্টবেঙ্গল বদলে গিয়েছে।
এ দিন যুবভারতীর ৩-এ গেটের বাইরে দেখা গেল ব্যানার। যাতে লেখা, “আঁধার হলো মাদার গাছের তলা/ কালি হয়ে এল দিঘীর জল/ ভোটের নাটক মিটে গেছে কবেই/ ইনভেস্টার আসবে কবে বল?” কেউ আবার এক কর্তার স্কেচ এঁকে, পদবী উল্লেখ করে ‘কাটমানি লোভী’ বলে তোপ দাগলেন।
এর মধ্যে গত সপ্তাহে অভিনব কাণ্ড ঘটে যায় বাগানে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রটে যায়, বাগানে নাকি নতুন স্পনসর হয়ে আসছে টিসিএস এবং স্যামসাং। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্লাব কর্তা সৃঞ্জয় বসু নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকে লেখেন, “দেবাশিস দত্তর নামে কেউ ফেক অক্যাউন্ট খুলে ভুয়ো খবর রটাচ্ছে।” বিষয়টি নিয়ে সাইবার ক্রাইমের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছিলেন টুটু-পুত্র।
সমর্থকদের এ হেন ক্ষোভ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি কোনও কর্তাই। তবে সমস্ত কর্তারাই ঘনিষ্ঠ মহলে এ কথা মেনে নিচ্ছেন, স্পনসর না এলে আরও বড় বিক্ষোভ আছড়ে পড়বে গোষ্ঠ পাল সরণির ক্লাব লনে।