চেন্নাই-ভিত্তিক রিয়েল এস্টেট সংস্থা কর্মীদের বার্ষিক প্রফিট থেকে লন্ডনে পাঠাচ্ছে। সংস্থার প্রায় ১,০০০ কর্মীর জন্য বিদেশ সফরের আয়োজন।

এআই দিয়ে তৈরি ছবি
শেষ আপডেট: 28 November 2025 23:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্মীদের লন্ডন পাঠাচ্ছে চেন্নাইয়ের রিয়েল এস্টেট সংস্থা। হ্যাঁ বার্ষিক প্রফিটের টাকায় এক-দুই নয়, ১০০০ কর্মীকে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
চেন্নাইয়ের রিয়েল এস্টেট সংস্থা কাসাগ্র্যান্ড (Casagrand)। বার্ষিক প্রফিট শেয়ার বোনাস (Profit Share Bonanza) উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ করতে চলেছে। সংস্থার মোট ৭,০০০ কর্মীর মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশের জন্য এই বিদেশ সফর ঘোষণা করা হয়েছে। ভারত এবং দুবাই–সহ বিভিন্ন শাখা থেকে কর্মীরা এই লন্ডন যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র ভ্রমণ নয় বরং কর্মীদের অবদান উদযাপনের চেষ্টা। প্রফিট শেয়ারের বিষয়টি শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৬,০০০–এরও বেশি কর্মীকে বিদেশ সফরের (International Trip) পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর আগে কর্মীরা সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দুবাই এবং স্পেন–সহ বিভিন্ন দেশে ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।
এই বছরের লন্ডন সফরের জন্য একটি বিশেষ টিম সংস্থার তরফে তৈরি করা হয়েছিল, যারা যাতায়াত এবং থাকার বন্দোবস্ত করবে। বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে আগাম সমন্বয় করা হয় যাতে সংস্থার সকল স্তরের কর্মী একসঙ্গে (Equal Treatment) ভ্রমণ এবং থাকা, খাওয়া-সহ বাকি সুবিধা পান। কোনও স্তরে বৈষম্য না রাখাই ছিল সংস্থার তরফে দেওয়া প্রথম শর্ত।
কর্মীদের জন্য তৈরি ঘুরে দেখার লিস্টে রয়েছে সেন্ট পল’স ক্যাথিড্রাল (St Paul’s Cathedral), লন্ডন ব্রিজ (London Bridge), বিগ বেন (Big Ben), বাকিংহাম প্যালেস (Buckingham Palace), পিকাডিলি সার্কাস (Piccadilly Circus), ট্রাফলগার স্কোয়ার (Trafalgar Square), মাদাম তুসো (Madame Tussauds) এবং রিভার টেমস ক্রুজ (River Thames Cruise)-এর মতো বিখ্যাত জায়গাগুলি।
কাসাগ্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর অরুণ এমএন (Arun Mn) সংবাদমাধ্যমকে জানান, কর্মীদের সাফল্যই আসলে সংস্থার বৃদ্ধি (Company Growth) নিশ্চিত করে, সংস্থার এই মূল ভাবনার প্রতিফলন আজকের উদ্যোগ। বলেন, 'আমরা সম্পদ ভাগ করে নেওয়ার (Wealth Sharing) নীতিতে বিশ্বাস করি। অনেক কর্মী জীবনে প্রথমবার বিদেশ সফরের সুযোগ পাচ্ছেন। এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। ওদের মুখে হাসি, উত্তেজনা আর আনন্দটাই সব। এটাই আমাদের সংস্কৃতি।'
এই ধরনের উদ্যোগ কর্মীদের মধ্যে আনুগত্য (Employee Loyalty) এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ায় বলে মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়তেও সাহায্য করে।