Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

১৪০০ বছরে প্রথম মহিলা আর্চবিশপ! চার্চ অফ ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ধর্মীয় পদে ৬৪ বছরের সারা মুলালি

চার্চ অফ ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সারা মুলালির এই উত্থান শুধু একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মহিলা নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক বড় পরিবর্তনের প্রতীক। 

১৪০০ বছরে প্রথম মহিলা আর্চবিশপ! চার্চ অফ ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ধর্মীয় পদে ৬৪ বছরের সারা মুলালি

সারা মুলালি, আর্চবিশপ অফ ক্যান্টারবেরি

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 28 March 2026 16:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চার্চ অফ ইংল্যান্ডের দীর্ঘ ১৪০০ বছরের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় শুরু হল। প্রথমবারের মতো এই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় পদে (first woman Archbishop Church of England) বসেছেন এক মহিলা, সারা মুলালি। ৬৪ বছর বয়সি মুলালি আনুষ্ঠানিকভাবে আর্চবিশপ অফ ক্যান্টারবেরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন (Sarah Mullally Archbishop of Canterbury), যা ব্রিটেনের ধর্মীয় ও সামাজিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত (women church leadership UK)।

২৫ মার্চ দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক ক্যান্টারবেরি ক্যাথিড্রাল (Canterbury Cathedral)-এ অনুষ্ঠিত হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠান (Canterbury Cathedral ceremony 2026)। সেখানে তেরশো শতকের ‘চেয়ার অফ সেন্ট অগাস্টিন’-এ বসেই তিনি সেই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন, যা জনসমক্ষে তাঁর ধর্মীয় নেতৃত্বের সূচনাকে চিহ্নিত করে।

চিকিৎসা ক্ষেত্র থেকে ধর্মীয় নেতৃত্বে

ধর্মীয় জীবনে প্রবেশের আগে সারা মুলালির কর্মজীবন ছিল একেবারেই ভিন্ন পথে। তিনি ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (NHS)-এ ক্যানসার নার্স হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে লন্ডনের চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনস্টার হাসপাতাল (Chelsea and Westminster Hospital)-এ নার্সিং ডিরেক্টর পদেও দায়ভার সামলেছেন।

মাত্র ৩৭ বছর বয়সে, ১৯৯৯ সালে, তিনি ইংল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ চিফ নার্সিং অফিসার হয়ে ইতিহাস গড়ার নজির রয়েছে সারার। জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সফল কেরিয়ার থাকা সত্ত্বেও, তাঁর মনে সবসময়ই ধর্মীয় জীবনের প্রতি আকর্ষণ ছিল, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

২০০১ সালে তিনি যাজক হিসেবে দীক্ষা নেন এবং ২০০৪ সালে সরকারি পদ ছেড়ে সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় জীবনে প্রবেশ করেন। তাঁর কথায়, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে এটিও একটি।

ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে রাজপরিবারের উপস্থিতি

এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় দু'হাজার অতিথি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স উইলিয়াম, যিনি রাজা কিং চার্লস ৩-এর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সঙ্গে ছিলেন ওয়েলসের রাজকুমারী ক্যাথরিন যাঁর পোশাকও বিশেষ নজর কেড়েছে অনুষ্ঠানে - কালো-সাদা হাউন্ডস্টুথ ডিজাইনের ড্রেস, সঙ্গে স্টেটমেন্ট হ্যাট এবং পার্ল ক্লাস্টার কানের দুল।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টার্মার, পাশাপাশি চার্চের উচ্চপদস্থ ধর্মযাজক এবং বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মীয় নেতারা।

চার্চ অফ ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সারা মুলালির এই উত্থান শুধু একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মহিলা নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক বড় পরিবর্তনের প্রতীক। চিকিৎসা থেকে ধর্ম - দুই ভিন্ন জগত পেরিয়ে তাঁর এই যাত্রা এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।


```