Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

ছাঁটাইয়ের পরও লিঙ্কডইনে ভুয়ো কাজের গল্প! উপস্থিত বুদ্ধিতেই নতুন চাকরির অফার, অবাক নেটিজেনরা

তিনি জানান, এখন সেই নতুন চাকরিতে পাঁচ মাস ধরে কাজ করছেন। আগে একটু হলেও অপরাধবোধে ভুগতেন তিনি, তবে এখন তার বিন্দুমাত্র নেই। 

ছাঁটাইয়ের পরও লিঙ্কডইনে ভুয়ো কাজের গল্প! উপস্থিত বুদ্ধিতেই নতুন চাকরির অফার, অবাক নেটিজেনরা

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 29 June 2025 18:24

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাকরি চলে গিয়েছিল, কিন্তু কেউ তা জানে না। কারণ তিনি নিজেই কাউকে বুঝতে দেননি — অফিসে যাচ্ছিলেন না, কিন্তু লিঙ্কডইনে (LinkedIn)-এ নিয়মিত কাজ সংক্রান্ত পোস্ট দিচ্ছিলেন। এমনকী পরিবারের কাছেও ভান করে গেছেন যেন সব স্বাভাবিক। অবশেষে, এই 'ছদ্মচাকরি'ই এনে দিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে ভাল চাকরির অফার।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে রেডিটের (Reddit)-এ একটি ভাইরাল পোস্টের মাধ্যমে। পোস্টের শিরোনাম, ‘চাকরি চলে গিয়েছিল, কিন্তু আমি ভান করেছিলাম যেন এখনও চাকরি আছে। শেষমেশ আরও ভাল চাকরি পেলাম।’

ঘটনার সূত্রপাত, গত অগস্ট মাসে। হঠাৎ করেই এক জুম কলে (Zoom Call) তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে কোম্পানিতে ‘restructuring’ হচ্ছে, আর তিনি ছাঁটাই কর্মীর দলে পড়ে গিয়েছেন। না ছিল আগে থেকে কোনও সতর্কতা, না ছিল সেভারেন্স পে।

‘মাত্র ৩ মিনিটের Zoom কল, আর তাতেই চাকরির শেষ,’ লিখেছেন তিনি। পরিবার বা বন্ধুদের তিনি ঘুণাক্ষরেও কিছু জানতে দেননি। উল্টে ফেক মিটিং, নিয়মিত লিঙ্কডইন আপডেট, এমনকী কাজ নিয়ে ছোট ছোট পোস্ট করা চালিয়ে যান, যেন সব ঠিকঠাক চলছে।

এই চালাকির অনলাইন উপস্থিতিই শেষমেশ কাজে লাগে। তাঁর একটি পোস্ট দেখে এক রিক্রুটার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইন্টারভিউ হয়, এবং তাঁর কথামতো সেই ‘চাকরির’ গল্প চালিয়ে যান।

তাঁর কথায়, ‘ইন্টারভিউ দারুণ হয়েছিল। অফার পেলাম। আরও ভাল স্যালারি, ভাল পোস্ট, রিমোট কাজের সুযোগ, আর সত্যিকারের ওয়ার্ক লাইফ ব্যালেন্স (work-life balance)।’

তিনি জানান, এখন সেই নতুন চাকরিতে পাঁচ মাস ধরে কাজ করছেন। আগে একটু হলেও অপরাধবোধে ভুগতেন তিনি, তবে এখন তার বিন্দুমাত্র নেই। তিনি লেখেন, ‘এখন শুধু স্বস্তি পাই। পুরো সিস্টেমটাই তো মিথ্যার উপর চলে — আমি শুধু সেই খেলার নিয়ম মেনেই খেলেছি।’

এই গল্প শুনে যদিও ইন্টারনেট দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন — ‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক হয়নি? নতুন চাকরিতে ঢোকার আগে তো সাধারণত আগের চাকরির সত্যতা যাচাই করা হয়।’

অন্যদিকে অনেকে তাঁর পক্ষে কথা বলেছেন। একজন মন্তব্য করেন, ‘চাকরি চলে যেতে আমিও নিজেকে ‘ফ্রিল্যান্স কনসালট্যান্ট’ বলে পরিচয় দিই। LinkedIn-এ তাই-ই লিখি।’ আরও একজন লেখেন, ‘তুমি ঠিকই বলেছো। খেলা কীভাবে খেলতে হয় বুঝলেই তুমি জিততে পারো। নিয়ম তুমি ভাঙোনি, শুধু বুদ্ধি করে কাজে লাগিয়েছো।’


```