Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
জিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে!কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ড

৯১ বছর বয়সে দৃষ্টি ক্ষীণ, কাঁপা আঙুল, তবু অমলিন ভালবাসা! ছেলের জন্য সোয়েটার বুনে দিলেন মা

৯১ বছর বয়সেও বিছানায় শুয়ে ছেলের জন্য সোয়েটার বুনলেন মা।

৯১ বছর বয়সে দৃষ্টি ক্ষীণ, কাঁপা আঙুল, তবু অমলিন ভালবাসা! ছেলের জন্য সোয়েটার বুনে দিলেন মা

ফাইল চিত্র

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 27 December 2025 19:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মায়ের ভালবাসা সব সময় বড় কোনও উপহারে ধরা পড়ে না। অনেক সময় সেই ভালবাসা লুকিয়ে থাকে ধৈর্য, সময় আর আদরে বোনা ছোট ছোট সুতোর ভাঁজে। ঠিক এমনই এক গল্প শেয়ার করে নেটদুনিয়াকে আবেগে ভাসিয়েছেন অরুণ ভগবথুলা। ৯১ বছর বয়সে চোখে ঝাপসা দেখেন, হাত কাঁপে—সব সীমাবদ্ধতাকে পিছনে ফেলে শুধু ভালবাসার টানে এগিয়ে গেলেন তিনি। বিছানায় শুয়েই ধীরে ধীরে সুতোর ভাঁজে ভাঁজে বুনে ফেললেন ছেলের জন্য একটি সোয়েটার। 

অরুণের মা এখন ৯১ বছরের বৃদ্ধা। বয়সের ভারে শরীর আর তেমন সায় দেয় না। বেশিরভাগ সময়ই তাঁকে বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়। তবু ছেলের জন্য কিছু একটা করার ইচ্ছেটা যেন মন থেকে একটুও মুছে যায়নি। একদিন অরুণকে তিনি মেসেজ করে জানান, ছেলের জন্য নিজে হাতে একটি সাদা সোয়েটার বুনতে চান। অরুণ প্রথমে না করতে চাইলেও মায়ের জেদ আর আবদারের কাছে হার মানতে হয়।

বিছানায় শুয়েই শুরু হয় সোয়েটার বোনার কাজ। ওপরের অংশ বোনা শেষ হলে মা গলার মাপ নিয়ে জানতে চান। অরুণ বলেন, নেকটা একটু লম্বা হলে ভাল হয়। কোনও অভিযোগ না করে মা পুরোটা খুলে আবার নতুন করে বুনতে শুরু করেন।

 কিছুদিন পর সামনের আর পেছনের অংশ তৈরি হলে অরুণ ট্রায়াল দেন। তখনই ধরা পড়ে নতুন সমস্যা। দুই পাশের মাঝে প্রায় ছয় ইঞ্চির ফাঁক। মা বিস্মিত হয়ে বলেন, ছেলের দেওয়া বুকের মাপ অনুযায়ীই তো বুনেছেন। অরুণ হেসে উত্তর দেন, “তুমি তো আমার বুকের মাপ নিয়েছিলে, কোমরের নয়।” কথা শুনে একটু অনিচ্ছা থাকলেও মা আবার পুরো সোয়েটার খুলে নতুন করে বোনা শুরু করেন।

শেষমেশ সোয়েটারটি তৈরি হয়। তবে এবার সেটি দৈর্ঘ্যে একটু ছোট। কিন্তু আর কিছু বলার সাহস পাননি অরুণ। নিজের পোস্টে তিনি লেখেন, “সোয়েটারটা ছোট হতে পারে, কিন্তু তাঁর ভালবাসা কখনও ছোট নয়।”

এই গল্প সামনে আসতেই আবেগে ভেসেছে সোশ্যাল মিডিয়া। কেউ লিখেছেন, “আপনি সত্যিই ভাগ্যবান, এমন ভালবাসা খুব কম মানুষই পায়।” কারও মন্তব্য, “এই অপূর্ণতাগুলিই সোয়েটারটাকে নিখুঁত করে তুলেছে।” 
 


```