Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

ইরাকে ভেঙে পড়ল মার্কিন সামরিক বিমান, 'আকাশসীমা রক্ষাই লক্ষ্য', হামলার দায় স্বীকার ইরানপন্থী গোষ্ঠীর

তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার পেছনে শত্রুপক্ষের হামলার কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি মার্কিন বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এয়ার রিফুয়েলিং বিমান। এই ধরনের ট্যাঙ্কার বিমান যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক বিমানকে মাঝ আকাশেই জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে। 

ইরাকে ভেঙে পড়ল মার্কিন সামরিক বিমান, 'আকাশসীমা রক্ষাই লক্ষ্য', হামলার দায় স্বীকার ইরানপন্থী গোষ্ঠীর

ইরাকে ভেঙে পড়ল মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি সামরিক বিমান

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 13 March 2026 09:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরাকে ভেঙে পড়ল মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি সামরিক বিমান (US KC-135 crash Iraq)। বিমানে পাঁচজন ক্রু সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ। হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানপন্থী গোষ্ঠী (Iran-backed group US aircraft crash)।

বৃহস্পতিবার এই দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক কমান্ড। মার্কিন বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে। বিমানটি ভেঙে পড়ার পর দ্রুত ওই এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল একটি KC-135 Stratotanker, যা কিনা মার্কিন বিমানবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এয়ার রিফুয়েলিং বিমান। এই ধরনের ট্যাঙ্কার বিমান যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক বিমানকে মাঝ আকাশেই জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে। ফলে দীর্ঘ দূরত্বের অভিযানে এগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

হামলার দাবি ইরানপন্থী গোষ্ঠীর

সংবাদসংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ইরাকে সক্রিয় একটি ইরানপন্থী ইসলামিক সশস্ত্র গোষ্ঠী 'ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক' দাবি করেছে, তারাই বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। তাদের বক্তব্য, “নিজেদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমা রক্ষার জন্যই এই বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে।”

তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার পেছনে শত্রুপক্ষের হামলার কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

দুটি বিমান ছিল অভিযানে

মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী, এই ঘটনায় দুটি বিমান জড়িত ছিল। একটি বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হলেও অন্যটি ইরাকের পশ্চিম আকাশসীমায় ভেঙে পড়ে।

মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, এই ঘটনা ঘটেছে মার্কিন সামরিক অভিযান অপারেশন এপিক ফিউরি (Operation Epic Fury)–এর সময়। এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানের সামরিক ক্ষমতাকে আঘাত করা।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার কথায়, দ্বিতীয় বিমানটিও একটি KC-135 ট্যাঙ্কার ছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে এলে তা প্রকাশ করা হবে। নিহত বা আহতের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু এখনও জানানো হয়নি।

মার্কিন অভিযানে চতুর্থ বিমান দুর্ঘটনা

সংবাদসংস্থা Associated Press–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে চলা মার্কিন সামরিক অভিযানের সময় এটি অন্তত চতুর্থ বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা।

গত সপ্তাহেই মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ভুলবশত কুয়েতের সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। সেই ঘটনায় F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমানের ছয়জন ক্রু সদস্যই ইজেক্ট করে প্রাণে বেঁচে যান এবং পরে তাদের উদ্ধার করা হয়।

যুদ্ধের শুরু থেকে ক্ষয়ক্ষতি

এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

এর মধ্যে ছয়জন নিহত হন, যখন ইরানের একটি ড্রোন কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে অবস্থিত মার্কিন অপারেশন সেন্টারে হামলা চালায়। আরও একজন সেনা মারা যান প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে হামলার জেরে গুরুতর আহত হওয়ার পর। এই ঘাঁটিটি রয়েছে সৌদি আরবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত আটজনের আঘাত গুরুতর।


```