রবিবার ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরান যদি কোনও পাল্টা হামলার পথে হাঁটে, তা হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সামরিক শক্তি প্রয়োগ করবে “যা আগে কখনও দেখা যায়নি।”

শেষ আপডেট: 1 March 2026 12:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন-ইজরায়েলি হামলায় মৃত্যু হয়েছে সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইয়ের। তারপরই মার্কিন-ইজরায়েলি ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে ইরান। সেই উত্তেজনার আবহে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump warning to Iran)।
রবিবার তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরান যদি কোনও পাল্টা হামলার পথে হাঁটে, তা হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সামরিক শক্তি প্রয়োগ করবে (US Iran conflict threat military force) “যা আগে কখনও দেখা যায়নি।”
যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানের পর পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষিতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান “খুব জোরালোভাবে” পাল্টা আঘাত হানতে পারে, এমন খবরের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তবে সেই সঙ্গে সতর্কবার্তাও দেন তিনি। ট্রাম্পের কথায়, “এমন কিছু না করাই ওদের জন্য ভাল। কারণ যদি করে, তা হলে আমরা এমন শক্তি দিয়ে আঘাত হানব, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।”
ইরানের তরফেও আগেই ইঙ্গিত মিলেছে যে তারা আগের হামলার জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প বারবারই আমেরিকার সামরিক পদক্ষেপকে সঠিক বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর দাবি, মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সম্ভাব্য হুমকি নস্যাৎ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের তরফে চালানো “Operation Epic Fury” অভিযানের পর ট্রাম্প আরও কড়া বার্তা দেন। তিনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, অস্ত্র ফেলে আত্মসমর্পণ করতে, না হলে “নিশ্চিত মৃত্যুর” মুখে পড়তে হবে। একই সঙ্গে ইরানের সাধারণ মানুষকেও তিনি আহ্বান জানান, সংঘর্ষের পরিস্থিতি কেটে গেলে “নিজেদের সরকার নিজেদের হাতে তুলে নিতে।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানে “বড় মাপের যুদ্ধপর্ব” চালানো হয়। সেই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই এবং তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।