ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬ জন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানে ৫৫০-র বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর (Supreme Leader Khamenei Death) পর ইরানের একাংশে ক্ষোভের আগুন আরও বেড়েছে।
.jpg.webp)
ডোনাল্ড ট্রাম্প
শেষ আপডেট: 3 March 2026 09:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সৌদি আরবের রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা (US embassy attack Riyadh)। আগুন ধরে যাওয়ার খবরও মিলেছে। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত তা এখনও জানা যায়নি। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এর পিছনে ইরানেরই (Iran) হাত রয়েছে। এদিকে এই হামলার পরই সুর বদল ট্রাম্পের (US President Donald Trump)। এরপরও মার্কিন সেনা পাঠানো নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না ট্রাম্প।
ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল-আমেরিকার সংঘাত (Iran-Israel-US Tension) মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে পড়ল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার নাম-গন্ধ এখনও নেই, বরং আঘাত-প্রত্যাঘাত বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, সেনাবাহিনী পাঠাতে তাঁর কোনও দ্বিধা নেই। তবে রিয়াধের মার্কিন দূতাবাসে (US embassy attack Riyadh) হামলার পরই তিনি জানান, "এখনই 'বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড' (Boots On Ground) অর্থাৎ স্থলবাহিনী পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা দেখছি না।"
ট্রাম্পের এই মন্তব্য তাঁর আগের মন্তব্যের সম্পূর্ণ উল্টো। শনিবারই ইরানে মার্কিন হামলার পর প্রেসিডেন্ট দাবি করেছিলেন, "ইরানকে থামাতে সময়মতো সেনাবাহিনী মাঠে নামবে।"
ইরানের (Iran) সঙ্গে সংঘর্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬ জন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানে ৫৫০-র বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর (Supreme Leader Khamenei Death) পর ইরানের একাংশে ক্ষোভের আগুন আরও বেড়েছে। ইজরায়েল-আমেরিকার হামলার জবাবে ইরান আরবদুনিয়ার বিভিন্ন অংশে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাচ্ছে।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump) ইঙ্গিত দিয়েছেন এই সংঘাত এখনই শেষ হবে না, অন্তত আরও কয়েক সপ্তাহ চলবে। তাঁর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে ওয়াশিংটন এখনই মধ্যস্থতায় আসতে চাইছে না, বরং দীর্ঘ মেয়াদি অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েই এগোচ্ছে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, "ইরানের (Iran) মতো বড় এবং শক্তিশালী দেশের বিরুদ্ধে অভিযান স্বাভাবিকভাবেই সময়সাপেক্ষ। অন্তত চার সপ্তাহ সময় লাগবে।" তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলেও দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে সেই আলোচনা কবে হবে, তা নিশ্চিত বলতে পারেননি।
ইজরায়েলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' (Operation Epic Fury) অভিযানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও সরকারি কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (Iran-Israel-US Tension)। সর্বশক্তি দিয়ে ইরানকে ধ্বংস করতে চেয়েছেন ট্রাম্প (US President Donald Trump)! বি-২ স্টিলথ বোমার (B-2 bombers), এফ-৩৫ যোদ্ধা বিমান, পারমাণবিক শক্তিচালিত এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার এবং আরও অনেক আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এই অভিযানে।
মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই অভিযান চালানো হয়েছে ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে (US attack on Iran) এবং বিশেষ করে যেসব জায়গা থেকে 'হুমকি' আসছে সেগুলিই মূল টার্গেট।