Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় চিন্তায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা, ওষুধে ১০০% শুল্ক বসাল মার্কিন প্রশাসন

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুক্তি, এসব পদক্ষেপ মার্কিন শিল্পকে রক্ষা করবে, বাজেট ঘাটতি কমাবে এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়াবে।

ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় চিন্তায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা, ওষুধে ১০০% শুল্ক বসাল মার্কিন প্রশাসন

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 26 September 2025 07:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বৃহস্পতিবার এক নতুন বাণিজ্যিক পদক্ষেপ (Trade policy) ঘোষণা করলেন। তাতে রীতিমতো চিন্তায় পড়েছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলি (pharmaceuticals)। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ১ অক্টোবর থেকে আমেরিকায় আমদানিকৃত বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর বিশাল অঙ্কের কর ((US import taxes) বসানো হবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসছে ওষুধে।

ট্রাম্পের কথায়, “যদি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আমেরিকায় কারখানা না গড়ে, তাহলে আমি তাদের ওপর ১০০% আমদানি কর বসাচ্ছি। কাজ শুরু করতে হবে, নির্মাণাধীন থাকতে হবে। নইলে কোনও ছাড় নেই।”

নতুন শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী - ওষুধে ১০০%, রান্নাঘর ও বাথরুম ক্যাবিনেটে ৫০%, আসবাবে ৩০%, হেভি ট্রাকে ২৫% আমদানি কর বসতে চলেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, বিদেশি প্রযোজকরা মার্কিন বাজার প্লাবিত করছে, যার ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, “আসবাবপত্র আর ক্যাবিনেট আমাদের বাজার ভরিয়ে দিচ্ছে। হেভি ট্রাকও একইভাবে ক্ষতি করছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও অন্যান্য কারণে শুল্ক প্রয়োজন।”

এর আগে কয়েক সপ্তাহ আগে হোয়াইট হাউস আরও কিছু বাণিজ্য কাঠামো ও কর ব্যবস্থা ঘোষণা করেছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুক্তি, এসব পদক্ষেপ মার্কিন শিল্পকে রক্ষা করবে, বাজেট ঘাটতি কমাবে এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়াবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, বারবার নতুন শুল্ক চাপানোর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যেই আগের করের চাপ সামলাচ্ছেন, তার মধ্যে নতুন খরচ অনিশ্চয়তা আরও বাড়াতে চলেছে।

ট্রাম্প অবশ্য যাবতীয় সমালোচনা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “আমরা আমেরিকান চাকরি রক্ষা করছি, আমাদের কারখানা রক্ষা করছি। ব্যাপারটা খুবই সহজ। যদি এখানে বিক্রি করতে চাও, তবে এখানেই গড়ে তোলো।”


```