নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতার সম্ভাবনা নিয়ে টালমাটাল হলেও, ফের আলোচনায় উঠে এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত–পাকিস্তান প্রসঙ্গ।
.jpg.webp)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
শেষ আপডেট: 10 October 2025 08:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel peace prize) জেতার সম্ভাবনা নিয়ে টালমাটাল হলেও, ফের আলোচনায় উঠে এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত–পাকিস্তান (Donald Trump India Pakistan claim) প্রসঙ্গ। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে (White House press conference) ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন ট্রাম্প।
সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, তিনি এই বছর মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত থামাতে পেরেছিলেন, যদিও ভারত আগেও এই দাবি দৃঢ়ভাবে নাকচ করেছে।
ট্রাম্পের কথায়, “ভারত এবং পাকিস্তান দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। আমি ওই সংঘাত থামিয়েছিলাম বাণিজ্য আর শুল্কের জোরে। আমি বলেছিলাম, যদি তোমরা যুদ্ধ করো, তাহলে দু’দেশের ওপরই ১০০ শতাংশ শুল্ক বসাব। সঙ্গে সঙ্গে তারা যুদ্ধ থামিয়ে দেয়।”
তিনি দাবি করেন, “যুদ্ধটা পারমাণবিক হতে পারত, কিন্তু সেটা রুখে দেওয়া হয়েছিল আমার সিদ্ধান্তে।”
‘নোবেল না পেলেও বাঁচালাম প্রাণ’
যদিও নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতা নিয়ে তেমন আশাবাদী নন ট্রাম্প, তবুও তিনি বলেন, গত নয় মাসে তিনি নাকি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন, যার মধ্যে গাজার যুদ্ধও রয়েছে।
“আমি জানি না নোবেল কমিটি কী করবে, কিন্তু আমি জানি কেউ ইতিহাসে নয় মাসে আটটা যুদ্ধ থামাতে পারেনি। আমি সেটা করেছি। আমি এটা নোবেলের জন্য করিনি, আমি করেছিলাম প্রাণ বাঁচানোর জন্য,” বলেন ট্রাম্প।
ইউক্রেন যুদ্ধ ‘সবচেয়ে ভয়ঙ্কর’
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ট্রাম্প বলেন, “এটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ। প্রতি সপ্তাহে সাত হাজার সৈন্য মারা যাচ্ছে, বেশিরভাগই ইউক্রেন ও রাশিয়ার তরুণ সেনা।”
তিনি দাবি করেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতেও তিনি উদ্যোগ নেবেন, “আমরা এটাও শেষ করব, কারণ এটা সম্পূর্ণ অর্থহীন যুদ্ধ।”
গাজা সফরে যাবেন ট্রাম্প
হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, গাজায় বন্দি ইজরায়েলি নাগরিকদের সোমবার বা মঙ্গলবার ফিরিয়ে আনা হবে এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে সেখানে উপস্থিত থাকতে চান।
“আমি আশা করি সোমবার বা মঙ্গলবার বন্দিরা ফিরে আসবেন। আমরা রবিবারই রওনা হব। ইজরায়েলে যেমন আনন্দের পরিবেশ, তেমনই অনেক দেশেই মানুষ উদযাপন করছে,” বলেন ট্রাম্প।