Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

৬১ বছর বয়সে ১৩ বছরের হার্ট পেয়েছেন টম, জীবনের এক্সট্রা ইনিংস উৎসর্গ করেছেন অন্য রোগীদের

হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপনে বেঁচে ওঠা টম সনেবর্ন আজ নিজের দ্বিতীয় জীবন কাজে লাগাচ্ছেন, অন্য রোগীদের সাহস জোগাতে। তাঁর লড়াই, কৃতজ্ঞতা ও মানবিকতার গল্প পড়ুন।

৬১ বছর বয়সে ১৩ বছরের হার্ট পেয়েছেন টম, জীবনের এক্সট্রা ইনিংস উৎসর্গ করেছেন অন্য রোগীদের

টম সনেবর্ন।

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 10 December 2025 18:08

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জীবন যেন দ্বিতীয়বার শুরু হয়েছে টম সনেবর্নের। সে জীবনে এতই আলো, এতই সাহস, যা তিনি ভাগ করে নিতে প্রায়ই পৌঁছে যান অন্য রোগীদের কাছে। গল্পে গল্পে পৌঁছে দিয়ে আসেন, হাল না ছাড়ার বার্তা। কিন্তু তাঁর নিজের পথটা মোটেই এমন সহজ ছিল না। “সব মনে আছে… বিশেষ করে কঠিন দিনগুলো,” বলেন ক্লেভল্যান্ডের পার্মা হাইট্‌সের বাসিন্দা টম সনেবর্ন।

আট বছর আগে তাঁর হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপন হয়েছিল। গত সপ্তাহেই সেই দিনের অষ্টম বর্ষপূর্তি পালন করেছেন তিনি। অথচ সেই ঘটনার এক বছর আগেও তিনি ছিলেন একেবারে স্বাভাবিক, সক্রিয় ৬১ বছরের এক মানুষ। হঠাৎই হৃদ্‌যন্ত্র বিকল হয়ে তাঁর জীবন থমকে যায়। শুরু হয় হাসপাতাল আর বাড়ির মধ্যে দীর্ঘ লড়াই।

Image

অবশেষে ডাক্তাররা তাঁর হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। সৌভাগ্যক্রমে হঠাৎই একদিন তাঁর ব্লাডগ্রুপের সঙ্গে মেলানো একটা হৃদ্‌যন্ত্র পাওয়া যায়। এবং তা নিতে পারবেন, এমন রোগী তখন ওই অঞ্চলে একমাত্র টমই ছিলেন। ফলে প্রথম ধাপে টমের ভাগ্য সফল হয়। তার পরে, সেই অস্ত্রোপচারও সফল হয়। এক সপ্তাহ হাসপাতালে থেকে দশ দিনের মাথায় বাড়িও ফিরে যান তিনি।

টম বলেন, “যে ছেলেটির হৃদ্‌যন্ত্রটি আমি পেয়েছি, তার বয়স ছিল মাত্র ১৩। ওই বয়সে তো অঙ্গদাতা হওয়ার সুযোগ থাকে না। তার মাকেই সেই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। আমি তাঁর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ। মাঝেমাঝে আমাদের কথা হয়।”

Image

এই কৃতজ্ঞতাই তাঁর ভিতরে নতুন এক উদ্দেশ্য জাগিয়ে তোলে।

তাই আজ টম প্রতি সপ্তাহে ক্লেভল্যান্ড ক্লিনিকের মূল ক্যাম্পাসে যান স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে। যেভাবে ভয়, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তার সঙ্গে তাঁকে লড়তে হয়েছিল, এখন তিনি সেই পথেই হাত ধরে এগিয়ে দেন অন্য রোগীদের।

“আমার একটাই চেষ্টা থাকে—যেন তাঁদের কঠিন মুহূর্তটা একটু সহজ করতে পারি। কারণ সেটা যে কতটা দীর্ঘ আর কঠিন, তা আমি জানি।”-- বলেন টম।

Image

টম জানেন, হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের পথ কতটা ভয়ংকর। আর সেই জানাটাই আজ তাঁর শক্তি।কারণ তিনি নিজের দ্বিতীয় জীবনটাকে কাজে লাগাতে চান অন্যকে পথ দেখাতে।

টমের কথায়, “অনেকে আমায় বলেন, এই যে অন্যদের সময় দিচ্ছেন, বিনিময়ে কী মিলছে? আমি বলি, আমার কাছে এগুলো বাড়তি সময়। একটা বোনাস ইনিংস। কারণ যদি সেই হৃদ্‌যন্ত্র না পেতাম, আজ অন্য একজনকে সাহস জোগানোর সুযোগই পেতাম না। তাদের অনিশ্চয়তার সময়টুকুতে পাশে দাঁড়াতে পারতাম না।”


```