রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদরে মুনিরের ভাইপো আবদুল রহমানের সঙ্গে রজামন্দি করে নিকাহ হল পাক সেনা সর্বাধ্যক্ষর কন্যার।

পবিত্র জুম্মাবারে আসিম মুনিরের সেজ মেয়ে মাহনুরের সঙ্গে চারহাত এক হয় তাঁর খুড়তুতো বড় ভাই আবদুল রহমানের।
শেষ আপডেট: 31 December 2025 12:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, ফিল্ডমার্শাল আসিম মুনিরের তৃতীয় মেয়ের শাদি হল ধুমধাম করে। রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদরে মুনিরের ভাইপো আবদুল রহমানের সঙ্গে রজামন্দি করে নিকাহ হল পাক সেনা সর্বাধ্যক্ষর কন্যার। স্বভাবতই দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্তাব্যক্তিরা গত সপ্তাহের সেই পার্টিতে হাজির ছিলেন দুর্গশহর রাওয়ালপিন্ডিতে।
গত ২৬ ডিসেম্বর, পবিত্র জুম্মাবারে আসিম মুনিরের সেজ মেয়ে মাহনুরের সঙ্গে চারহাত এক হয় তাঁর খুড়তুতো বড় ভাই আবদুল রহমানের। সেই নিকাহ-র কোনও ছবি এখনও প্রকাশ হয়নি। তবে শাদির খবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ছাপা হয়েছে। পাকিস্তানি সাংবাদিক জাহিদ গিশকোরি এক্সবার্তায় দাবি করেছেন, ফিল্ডমার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরের মেয়ে মাহনুর তাঁর ভাইপো প্রাক্তন সেনা ক্যাপ্টেন আবদুল রহমান কাসিমকে নিকাহ করেছেন।
আসিম মুনিরের চার মেয়ে। মাহনুর হলেন সেজ। তাঁর সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানে না মিডিয়া। বিয়ের পাত্র এবং মুনিরের ভাই কাসিম মুনিরের বড় ছেলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রাক্তন ক্যাপ্টেন। পরে তিনি প্রশাসনিক চাকরিতে চলে আসেন। পাকিস্তানের আইন অনুসারে সেনাকর্তাদের জন্য প্রশাসনিক পদে নিয়োগের কোটা থাকে। সেই কোটাতেই রহমান যোগ দেন সিভিল সার্ভিসেসে। বর্তমানে তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে নিযুক্ত।
বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় ৪০০ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সেনা সহ তিন বাহিনীর শীর্ষকর্তা এবং প্রশাসনিক নেতানেত্রীরা ছিলেন। যেমন— প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দার, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ, আইএসআই প্রধান এবং অন্যান্য সেনাধিকারিক।
বিয়ের সঙ্গে কাকতালীয়ভাবে মিলে গিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহয়ান-এর পাকিস্তান সফর। ওই দিনই ইসলামাবাদে আসেন তিনি। যদিও মিডিয়ার খবর, আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট ওই নিকাহ অনুষ্ঠানে ছিলেন না।