Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

'ফুলকে তো আগলে রাখতে হবে', হিজাবের সমর্থনে ফের যুক্তি খামেইনির, নিশানায় আমেরিকা

ইসলামের কাঠামোতে নারীর অবস্থানকে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। খামেইনির দাবি, ইসলাম নারীর পরিচয়, স্বাধীনতা ও অগ্রগতির অধিকার রক্ষা করে। 

'ফুলকে তো আগলে রাখতে হবে', হিজাবের সমর্থনে ফের যুক্তি খামেইনির, নিশানায় আমেরিকা

আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 4 December 2025 09:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানে (Iran) বাধ্যতামূলক হিজাব (Hijab) নিয়ে বিতর্ক ফের তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতেই ধারাবাহিক অনলাইন পোস্টে পশ্চিমী সমাজ, বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিশানা করে কঠোর বার্তা দিলেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি (Ali Khamenei)। তাঁর দাবি, পশ্চিমী পুঁজিবাদ নারীর মর্যাদা নষ্ট করে, আর ইসলামই দেয় প্রকৃত সম্মান। ঠিক একই সময়ে ইরানের রক্ষণশীল অধ্যুষিত পার্লামেন্টের অর্ধেকেরও বেশি সদস্য বিচারব্যবস্থাকে তিরস্কার করেছেন হিজাব আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ না করার জন্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) খামেইনির বার্তা ছিল স্পষ্ট - ইসলামিক রিপাবলিক যে বাধ্যতামূলক পোশাকবিধি, লিঙ্গভিত্তিক বিভাজন বা কঠোর শাস্তির নীতি মানে, তা নাকি 'নারীর অধিকার রক্ষার' (Women Protection) জন্য প্রয়োজনীয়। তাঁর বক্তব্য, সমাজের প্রথম দায়িত্ব হল “সামাজিক আচরণে ন্যায়বিচার ও পরিবারের অভ্যন্তরে ন্যায় বজায় রাখা”, আর সেই দায়িত্ব পশ্চিমী দেশগুলি রাখতে ব্যর্থ।

খামেইনির (Ali Khamenei) অভিযোগ, পশ্চিমী পুঁজিবাদ নারীর শরীরকে পণ্যে পরিণত করে। এই প্রেক্ষিতে তাঁর মন্তব্য,  ''নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করা তাঁর মৌলিক অধিকার।'' খামেইনির কথায়, আমেরিকাসহ পশ্চিমী সমাজে নারীরা একই কাজের জন্য পুরুষদের তুলনায় কম মজুরি পান, ফলে তাঁরা 'বস্তু হিসাবে ব্যবহৃত' হন।

ইসলামের কাঠামোতে নারীর অবস্থানকে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। খামেইনির দাবি, ইসলাম নারীর পরিচয়, স্বাধীনতা ও অগ্রগতির অধিকার রক্ষা করে। তাঁকে ফুল হিসেবে বর্ণনা করে তিনি লেখেন, নারী পরিবারের নেতৃত্বের অংশ হিসেবে সম্মান পাওয়ার যোগ্য। এই কারণেই তাঁকে ফুলের (Flower) মতো সুরক্ষা দিতে হবে, আগলে রাখতে হবে।

এরপরেই তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। খামেইনি অভিযোগ করেন, মার্কিন পুঁজিবাদ পরিবার-ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকায় যে অপরাধচক্র নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে, সেটিই নাকি পশ্চিমী সমাজে নারীর ‘বস্তুতান্ত্রিক’ অবস্থার প্রমাণ।

তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি তুলে ধরে। স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরানে নারীরা কার্যত ‘লিঙ্গ অ্যাপারথাইড’-এর অধীনে। বাধ্যতামূলক হিজাব সাত বছর বয়স থেকেই, শিশুবিবাহের বৈধতা, গার্হস্থ্য হিংসা থেকে সুরক্ষা না থাকা - এসবই সেই বাস্তবতার অংশ। ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’ জানিয়েছে, নারীদের উপর অত্যাচার ও নজরদারির যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তা বিশ্বের কোনও গণতান্ত্রিক দেশের সঙ্গে তুলনাই চলে না।


```