Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মারIPL 2026: হেরেও শীর্ষে রাজস্থান! কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত কোন দুই তারকার দখলে? প্রকাশ্যে আয়-সম্পত্তির খতিয়ান, রাজ না শুভশ্রী! সম্পত্তির নিরিখে এগিয়ে কে? অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতে

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভান্সের দূরত্ব তৈরি হয়েছে? মার্কিন টিভি'র রিপোর্টে জল্পনা

অতীতেও অন্তত দু'বার ইরান নিয়ে ট্রাম্পের ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন ভান্স। ২০২০ সালে এক ইরানি কমান্ডারকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তৎকালীন সেনেটর ভান্স ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। ২০২৪ এ ইরান নিয়ে এক প্রতিবেদনে ভান্স উল্লেখ করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে আমেরিকার কোন লাভ হবে না।

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভান্সের দূরত্ব তৈরি হয়েছে? মার্কিন টিভি'র রিপোর্টে জল্পনা

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স - প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 15 March 2026 11:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের উপর যুদ্ধ (Iran war) চাপিয়ে দেওয়ার পরিণতি ভয়ঙ্কর হতে পারে বলে একাধিক মার্কিন বিশেষজ্ঞ প্রকাশ্যেই মত প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে ট্রাম্পের (Donald Trump) ইরান কৌশলকে তারা আমেরিকার জন্য ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স (JD Vance)-ও এই তালিকায় পড়েন কিনা তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে মার্কিন মুলুকে।

আমেরিকার জনপ্রিয় টেলিভিশন সিএনএন এই বিষয়ে এক দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে তারা ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভান্সের প্রতিক্রিয়া এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তিনি কি পরামর্শ দিয়েছেন তা জানতে চেয়েছিল। টেলিভিশন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই প্রশ্নের জবাবে ভান্স এক দীর্ঘ বক্তৃতা করেন যা আসলে দার্শনিক সুলভ মন্তব্য। প্রশ্নের প্রকৃত জবাব তিনি কৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন।

সিএনএন বলেছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এখনও পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট ভান্স প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসা করে কোন মন্তব্য করেননি। টেলিভিশন চ্যানেলটির মতে ভান্সের এই অবস্থান অতীতের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন।

যেমন গতবছর জুনে আমেরিকা ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলির উপর হামলা চালালে ভান্স সেই অভিযানকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছিলেন তাই শুধু নয়, এক মিনিটে চারবার ওই শব্দটির উচ্চারণ করেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলো মাদুরুকে তাঁর দেশ থেকে তুলে এনে আমেরিকায় বন্দি করে রাখার সিদ্ধান্তকেও তুমুল সমর্থন জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভান্স। এমনও মন্তব্য করেছিলেন যে এই ধরনের অভিনব সিদ্ধান্ত এবং অভিযান চালানোর মতো সাহস একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরই আছে। ‌ সেই ভান্স ইরান যুদ্ধ নিয়ে কার্যত মুখে কুলুপ এটে থাকায় নানা মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে সংবাদ মাধ্যম ভান্সের কাছে জানতে চেয়েছিল, এই বিষয়ে তিনি প্রেসিডেন্টকে কী পরামর্শ দিয়েছেন। জবাবে তিনি বলেন, আমি এই ব্যাপারে আপনাদের হতাশ করতে চাই না। আমি আপনাদের কাছে ঈশ্বরের নামে শপথ করে বলতে পারব না যে ওই গোপন কক্ষে আমি কী বলেছিলাম।

গোপন কক্ষ বলতে ভান্স হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমের কথা উল্লেখ করতে চেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ওই কক্ষে বসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা ইরানে মার্কিন বাহিনীর হামলা পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। ‌

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দেওয়া পরামর্শের কথা কেন তিনি প্রকাশ্যে বলতে চান না, সেই প্রসঙ্গে ভান্সের জবাব, 'আমি জেলে যেতে চাই না।'

ইরান নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের অবস্থান নিয়ে জল্পনার পিছনে এক লম্বা ইতিহাস রয়েছে। এবার যুদ্ধ শুরুর মুখে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভান্স মন্তব্য করেছিলেন এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না। হলে তা আমেরিকার পক্ষে ক্ষতিকর হবে, এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

অতীতেও অন্তত দু'বার ইরান নিয়ে ট্রাম্পের ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন ভান্স। ২০২০ সালে এক ইরানি কমান্ডারকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তৎকালীন সেনেটর ভান্স ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। ২০২৪ এ ইরান নিয়ে এক প্রতিবেদনে ভান্স উল্লেখ করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে আমেরিকার কোন লাভ হবে না।

আর এবার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভান্স নিজের মন্তব্য আড়াল করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যগুলি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরছেন। সংবাদ মাধ্যমকে বলা তাঁর বক্তব্য নতুন মিডিয়া কৌশল বলে অনেকে মনে করছেন। তিনি নিজের মন্তব্য এড়িয়ে প্রেসিডেন্ট কী করছেন, কী বলছেন তা প্রচার করে ট্রাম্পের পাশে থাকার বার্তা দিলেও আসলে তিনি যে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত নন সেই বিষয়টিও প্রকাশ্যে চলে আসছে।

কেউ কেউ মনে করছেন এর পিছনে নীতি নয় ভান্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কাজ করছে। ২০২৮ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজেকে খানিক ঘটনা নিরপেক্ষ রাখার চেষ্টা করছেন। ‌


```