Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মতবদল! যুদ্ধবিরতির প্রশ্নই নেই, নিরাপত্তার স্বার্থে লড়াই জারি, বার্তা ইরানের

গতকালই যুদ্ধ থামানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল তেহরান। সেদেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে শেষ করার লক্ষ্যে যদি কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে তা স্বাগত জানাবে ইরান। তারপরই সেই অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ ঘুরে গেল পরিস্থিতি।

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মতবদল! যুদ্ধবিরতির প্রশ্নই নেই, নিরাপত্তার স্বার্থে লড়াই জারি, বার্তা ইরানের

ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 16 March 2026 18:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মত বদল করল ইরান। আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে চলা সংঘাতে (Iran US Israel Conflict) আপাতত যুদ্ধবিরতির (Iran says no to US War Ceasefire) কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিল তেহরান।

ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইতিমধ্যেই “উচিত শিক্ষা পেয়েছে” এবং দেশের মানুষ ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য তেহরান নিজের লড়াই চালিয়ে যাবে Abbas Araghchi Iran Statement on ceasefire)।

প্রসঙ্গত, গতকালই যুদ্ধ থামানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল তেহরান। সেদেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে শেষ করার লক্ষ্যে যদি কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে তা স্বাগত জানাবে ইরান। তারপরই সেই অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ ঘুরে গেল পরিস্থিতি।

মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক NBC News–এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'মিট দ্য প্রেস'–এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলমান সংঘাতের মধ্যে কোনও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারে না ইরান। আরাঘচির কথায়, “আমাদের জনগণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।”

বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ

সাক্ষাৎকারে তিনি আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগও তোলেন। আরাঘচির দাবি, এই সংঘাতে সাধারণ মানুষ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমেরিকা ও ইজরায়েল আমাদের দেশের মানুষকে খুন করছে। তারা ছাত্রীদের হত্যা করছে। এমনকি হাসপাতালেও হামলা চালাচ্ছে।”

আগের যুদ্ধবিরতিও ভেঙেছে, অভিযোগ ইরানের

ইরানের বিদেশমন্ত্রীর দাবি, অতীতের যুদ্ধবিরতি চুক্তিগুলিও টেকেনি। তিনি গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধ শেষে হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই চুক্তিও শেষ পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।

তাঁর বক্তব্য, “তারা যুদ্ধবিরতি ভেঙে দিয়েছে, আর এখন আবার যুদ্ধবিরতির কথা বলছে? এভাবে তো হয় না।” আরাঘচি স্পষ্ট করে জানান, যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ না হলে ইরানের অবস্থান বদলানোর কোনও প্রশ্নই নেই।

রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে জল্পনা

এই সংঘাতের মধ্যেই রাশিয়া ইরানকে সাহায্য করছে কি না তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। চারটি সূত্রের দাবি, রাশিয়া আরব দুনিয়ায় থাকা মার্কিন বাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে। সেই তথ্যের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য থাকতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আরাঘচি বলেন, মস্কো ও তেহরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তাঁর কথায়, “ইরান ও রাশিয়ার সহযোগিতা নতুন কিছু নয়, এটা কোনও গোপন বিষয়ও নয়। তারা আমাদের নানা দিক থেকে সাহায্য করছে। তবে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে আমার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই।”

সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য আমেরিকার

একই অনুষ্ঠানে আলাদা সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। তিনি বলেন,
আমেরিকা জানে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

তাঁর কথায়, “আমরা জানি রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে এক ধরনের পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে।” তবে তিনি এও দাবি করেন, যদি রাশিয়া কোনও সাহায্য করেও থাকে, তাতে খুব একটা প্রভাব পড়েনি।

তাঁর মতে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই ইরানের বিমানবাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, নৌবাহিনী, স্থলবাহিনী এবং কমান্ড কাঠামোকে বড়সড়ভাবে দুর্বল করে দিয়েছে।

মার্কিন সেনা নামালে কড়া হুঁশিয়ারি

সাক্ষাৎকারে আরাঘচি আরও এক ধাপ এগিয়ে আমেরিকাকে সরাসরি সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, যদি আমেরিকা ইরানের মাটিতে সেনা মোতায়েন করে, তবে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের সাহসী সৈন্যরা প্রস্তুত রয়েছে। যে কোনও শত্রু আমাদের মাটিতে ঢুকলে তাদের সঙ্গে লড়বে, হত্যা করবে এবং ধ্বংস করে দেবে।”


```