সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম গত রবিবারের হামলায় 'সেজ্জিল' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে (Iran war against US and Israel)। ইরান দাবি করেছে, এই হামলায় লক্ষ্য ছিল ইজরায়েলের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি এবং মার্কিন-ঘনিষ্ঠ বেশ কিছু অঞ্চল।
.jpg.webp)
‘ড্যান্সিং মিসাইল’ ছুড়ল ইরান
শেষ আপডেট: 16 March 2026 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু'সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গেছে, আরবদুনিয়ায় সংঘাত (Middle East tension) অব্যাহত। এই প্রথম উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘সেজ্জিল’ (Sejjil Ballistic Missile) ব্যবহার করল ইরান (Iran)। দীর্ঘ উচ্চতায়েও দিক বদলাতে পারার দক্ষতার জন্য যাকে ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বলা হয় (Iran Debuts 'Dancing Missile'), সেই অস্ত্র এবার যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের শক্তি আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
ইরানের এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম গত রবিবারের হামলায় 'সেজ্জিল' ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে (Iran war against US and Israel)। ইরান দাবি করেছে, এই হামলায় লক্ষ্য ছিল ইজরায়েলের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি এবং মার্কিন-ঘনিষ্ঠ বেশ কিছু অঞ্চল।
সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র কী?
‘ড্যান্সিং মিসাইল’ (Iran Debuts 'Dancing Missile') নামটি এসেছে তার উচ্চতায় দিক পরিবর্তনের ক্ষমতার জন্য, যা ইজরায়েলের আয়রন ডোমের (Iron Dome) মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে সাহায্য করে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ মিটার, ব্যাস ১.২৫ মিটার, ওজন প্রায় ২৩ হাজার ৬০০ কেজি।
পরীক্ষা ও ব্যবহার
যুদ্ধের ১৬তম দিনে বড় মোতায়েন
সেজ্জিল মোতায়েনের ঘটনা ঘটল যখন ইরান–ইজরায়েল–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ১৬তম দিনে প্রবেশ করেছে। চলমান সংঘাতে এখনও পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ইরানের নাগরিক বলে রিপোর্টে জানা গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই আরব দুনিয়ার পরিস্থিতি উত্তপ্ত। আঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে। বিপক্ষ শক্তিকে চাপে ফেলতে মার্চের শুরুতেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এরপরই তেল ও গ্যাস বোঝাই জাহাজ সমুদ্রপথেই আটকে পড়ে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে অন্যান্য দেশগুলিতেও। ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই-ও তাঁর প্রথম ভাষণে হুমকির সুরেই বলেছেন, এখনই হরমুজ খোলা হবে না।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় বিপর্যয় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সোমবার সকালে আচমকাই আগুন লাগে সেখানে। অভিযোগ, একটি ড্রোন হামলা (Drone strike) বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাঙ্কে আঘাত হানে। তাতেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিমান ওঠানামা। যাত্রীদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এমিরেটস (Emirates) কর্তৃপক্ষ।