ইঙ্গিতপূর্ণ কথায় ঝড় তোলায় তোলা অভ্যাস ইলন মাস্কের। তাঁর একেকটি সাঙ্কেতিক মন্তব্যে বিতর্ক ও অনুমানের বাতাস ঘুরে বেড়ায়।
.jpeg.webp)
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসার শিখর চূড়ামণি মাস্কের এই ছোট্টখাটো কথায় তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশ-বিদেশেও।
শেষ আপডেট: 2 December 2025 15:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইঙ্গিতপূর্ণ কথায় ঝড় তোলায় তোলা অভ্যাস ইলন মাস্কের। তাঁর একেকটি সাঙ্কেতিক মন্তব্যে বিতর্ক ও অনুমানের বাতাস ঘুরে বেড়ায়। এবারেও তাই হল। মাস্ক জানালেন, আর ৫-১০ বছরের মধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে। যাতে পরমাণু বোমাও ব্যবহার হতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসার শিখর চূড়ামণি মাস্কের এই ছোট্টখাটো কথায় তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশ-বিদেশেও।
বরাবরই নিজের মনের কথা এক্সে বলে ফেলেন মাস্ক। এতে তাঁর কোনও ভয়ডর নেই। এবার নিজের এক্সবার্তায় এক লাইনে লিখে ফেললেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন খুব শীঘ্রই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ নেমে আসবে। টেক দুনিয়ার কোটি কোটিপতি এক্সে একটি আলোচনায় ঢুকে পড়েন। যেখানে পরমাণু শক্তি প্রয়োগ করলে পৃথিবীর কী দশা হবে, তা নিয়ে মন্তব্য-প্রতি মন্তব্য চলছিল। তাতে মাস্ক নিজস্ব মন্তব্যে লিখেছেন, খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বে সংঘর্ষ নেমে আসবে।
হান্টার অ্যাশ নামে এক এক্স ব্যবহারকারীর দাবি, যুদ্ধের ভয়ঙ্কর দিক নিয়ে সব দেশই অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় পরমাণু ক্ষমতা যেমন যুদ্ধ থামাতেও পারে তেমনই বিপদও ডেকে আনতে পারে। সে কারণে কোনও সরকারের কাছে বাইরের দিক থেকে কিংবা বাজারি চাপ নেই যে তাদের থামানো যাবে।
এর জবাবে মাস্ক একেবারে মার ছক্কা হাঁকিয়ে লিখে দিয়েছেন, যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। হবেই। যদি জিজ্ঞাসা করেন কবে হতে পারে। তাহলে বলতে পারি ২০৩০ সালের মধ্যেও বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর কথায়, যুদ্ধ হবেই। দেরি নেই, ৫-১০ বছরের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।
এর থেকে বিশদে কোনও ব্যাখ্যা দেননি টেক বিলিওনেয়ার। অন্য কেউ হলে এই মন্তব্যের পাত্তা দেওয়া হতো না। কিন্তু যেহেতু তাঁর নাম ইলন মাস্ক, তাই বিশ্বব্যাপী আলোচনা শুরু হয়েছে তাঁর এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা কী জানতে। এক্স ব্যবহারকারীরা তাই গ্রোক-এর সাহায্য নিয়েছেন এর ব্যাখ্যায়। গ্রোক ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, গ্রোক কাদের মধ্যে অথবা কী কারণে যুদ্ধ হতে পারে তার নির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেনি। গ্রোকের জবাব তাঁর অতীতের পোস্টগুলি থেকে বলা যায়, তিনি ইউরোপ অথবা ব্রিটেনে সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। এর কারণ হতে পারে গণহারে দেশত্যাগ এবং অস্তিত্বের রাজনীতি। অথবা তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকা-চিনের যুদ্ধ কিংবা ইউক্রেন যুদ্ধ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঘুরে যেতে পারে। এর ফলে পরমাণু বোমা প্রয়োগের আশঙ্কাও রয়েছে।