ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টত মনে করেন, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি ইলন মাস্ককে অনেক সুবিধা দিয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইলন মাস্ক
শেষ আপডেট: 7 June 2025 15:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যাচ্ছেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)? আগামী দিনে কি ট্রাম্প-মাস্কের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যাবে? ব্যাপক জল্পনা তৈরি হয়েছে খোদ টেসলা কর্তার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। কারণ তিনি নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন রাজনীতির আঙিনায় পা রাখার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তর্কযুদ্ধ চলছে মাস্কের। সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে 'বিগ বিউটিফুল বিল'-কে (Big Beautiful Bill) কেন্দ্র করে। সেই দ্বন্দ্বের জেরেই মার্কিন প্রশাসনের দেওয়া গুরুদায়িত্ব ছেড়েছেন মাস্ক। এখন প্রশ্ন উঠেছে, আগামী দিনে কি তিনি রাজনৈতিক ময়দানে নেমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই লড়তে চলেছেন? এমন প্রশ্ন ওঠার কারণ মাস্কের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। সেখানে 'ভোটে' জিতেছেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টত মনে করেন, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি ইলন মাস্ককে অনেক সুবিধা দিয়েছেন। তাই মাস্কের তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। অন্যদিকে, মাস্ক স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি কখনও ট্রাম্পকে ভোট দেননি এবং এমন একজন নেতাকে সমর্থন করতে চান যিনি বিভাজন তৈরি করেন না। এই আবহেই এক্স হ্যান্ডেলে 'ভোট' করিয়েছিলেন তিনি।
মাস্কের প্রশ্ন ছিল - আমেরিকায় একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সময় হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে 'হ্যাঁ' বলেন ৮০ শতাংশ মানুষ। আর ভোটের সেই ফলাফল শেয়ার করে মাস্ক লেখেন, ‘জনগণ চাইছে এমন একটি শক্তি, যা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ৮০ শতাংশ মানুষ তাতে সম্মত —এটা নেহাত কাকতালীয় নয়, এটাই ভবিতব্য।’ এই সম্পর্কে আর কিছু না লিখে তিনি শুধু ‘দ্য আমেরিকা পার্টি’ লেখেন। মনে করা হচ্ছে, আগামী দিনে এই নামের রাজনৈতিক দল গঠন করতে চলেছে মাস্ক।
The people have spoken. A new political party is needed in America to represent the 80% in the middle!
And exactly 80% of people agree 😂
This is fate. https://t.co/JkeOlG7Kl4— Elon Musk (@elonmusk) June 6, 2025
'বিগ বিউটিফুল বিল' নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই মাস্ক-ট্রাম্প তরজা চলছে। টেসলা কর্তার দাবি, এই বিল আমেরিকাকে দেউলিয়া করে দিতে পারে। আর যারা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। যদিও হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করে জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা করেছেন তা ভেবেচিন্তে করেছেন এবং তাঁর মত কোনও ভাবে বদল হবে না। এরপরই কার্যত দুই পক্ষের তরজার আগুনে আরও ঘি পড়ে।