মাস্কের এও হুঁশিয়ারি, এই বিলের কারণেই একদিন আমেরিকা দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে! যদিও তেমন কিছু মনে করছেন না 'সাদা বাড়ি'।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এলন মাস্ক
শেষ আপডেট: 4 June 2025 09:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'আমার সময় শেষ' বলে আচমকাই ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছেন ধনকুবের এলন মাস্ক (Elon Musk)। তখনও স্পষ্ট হয়নি যে কেন তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর মন্তব্য বিষয়টি হয়তো স্পষ্ট করে দিল। বোঝা গেল, একটি বিল নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধ থেকেই মার্কিন প্রশাসনের দেওয়া দায়িত্ব ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন মাস্ক।
সম্প্রতি জনকল্যাণমূলক কাজে সংস্কারের জন্য একটি বিলে সই করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা করে বিলটি পুনর্বিবেচনা করার কথা বলেছিলেন মাস্ক। কিন্তু তেমনটা কিছু হয়নি। এবার সেই বিল নিয়েই ফের মন্তব্য করেছেন ধনকুবের। যার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে হোয়াইট হাউসও। এর থেকে স্পষ্ট হয়েছে দুই পক্ষের বিরোধিতার কারণ।
ট্রাম্পের জনকল্যাণমূলক বিল, যা ‘বড় সুন্দর বিল’ (Big Beautiful Bill) নামেও পরিচিত, সেটিকে 'জঘন্য' বলে অভিহিত করেছেন এলন মাস্ক। তাঁর কথায়, 'এই আইনের জন্য ব্যয় করা খুবই জঘন্য কাজ। যারা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, এটা তাঁদের লজ্জা।' মাস্কের এও হুঁশিয়ারি, এই বিলের কারণেই একদিন আমেরিকা দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে! যদিও তেমন কিছু মনে করছেন না 'সাদা বাড়ি'। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এর পাল্টা জবাব দিয়েছেন।
হোয়াইট হাউস (White House) বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা ভেবেই নিয়েছেন। এমন সব মন্তব্যে তাঁর সিদ্ধান্ত বা মনোভাব কিছুই বদলাবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব ভাল করেই জানেন এই বিলের ব্যাপারে মাস্কের অবস্থান কী। তাই এই ধরনের কথায় প্রেসিডেন্টের মতের কোনও পার্থক্য ঘটবে না।
আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসে মাস্ককে নিজের বিশেষ পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন ট্রাম্প। তাঁর জন্য আলাদা একটি দফতর তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এই বিল ইস্যুতে দুই 'বন্ধুর' মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। মাস্ক আগেও বলেছিলেন, এই বিলের কারণে রাজকোষে ঘাটতি আরও বাড়বে এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন দফতরের কাজে বাধা আসবে। কিন্তু সেই দাবিতে পাত্তা দেয়নি হোয়াইট হাউস।