পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করা চিনের। কিন্তু ভারতের তা ধ্বংস করতে সময় লেগেছিল মাত্র ২৩ মিনিট।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 June 2025 09:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে 'অপারেশন সিঁদুর' অভিযানে (Operation Sindoor) বিরাট সাফল্য পেয়েছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ইতিমধ্যেই জানা গেছে, ৯টি জঙ্গিঘাঁটি এবং কমপক্ষে ১০০ জন সন্ত্রাসবাদীকে খতম করতে সক্ষম হয়েছে ভারত। কিন্তু এই অভিযানে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিস্তান সেনা (Pakistan Army), সেই তথ্য এবার সামনে এল। একাধিক যুদ্ধবিমান এবং নজরদারির জন্য ব্যবহৃত বিমান ধ্বংস করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)।
মূলত ৪ দিন ভারত-পাক সংঘাত হয়েছিল। আর এই চারদিনেই পাকিস্তানের ৬টি ফাইটার জেট, ২টি নজরদারি বিমান ধ্বংস করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। শুধু তাই নয়, একটি সি-১৩০ এয়ারক্রাফট সহ ৩০টির বেশি মিসাইলও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে তাঁরা। ভারতীয় সেনা আগেই সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেছিল, পাকিস্তানের সেনাঘাঁটিকে তাঁরা নিশানায় নেয়নি। কিন্তু যে যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে তা ধ্বংস করা ছাড়া উপায় ছিল না।
পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তৈরি করা চিনের। কিন্তু ভারতের তা ধ্বংস করতে সময় লেগেছিল মাত্র ২৩ মিনিট। এই দাবি আগেই করেছে ভারতীয় সেনা। জানান হয়েছিল, পাকিস্তানের চিনা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে কোথাও পাশ কাটিয়ে, কোথাও আবার অকেজো করে হামলা করতে সক্ষম হয়েছিল ভারত। আর তাতেই চূড়ান্ত সফল হয়েছে 'অপারেশন সিঁদুর' অভিযান।
ভারতের মাটি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চিনে তৈরি পিএল-১৫ মিসাইলের টুকরো, তুরস্কের ইউএভি ‘ইহা’ এবং একাধিক রকেট, কোয়াডকপ্টার ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ। এতেই প্রমাণিত হয় যে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং রাশিয়ার এস-৪০০ থাকায় সেগুলিকে সহজে নষ্ট করা গেছে বলে জানায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
তবে পাকিস্তানও যে ভারতের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল তা নিজের মুখে স্বীকার করেছেন ভারতীয় সেনার চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ অনিল চৌহান। তাঁর কথায়, সংঘাতের আবহে ভুল হওয়াটা বড় ব্যাপার নয়। তবে কত দ্রুত ভুল শুধরে নিয়ে প্রত্যাঘাত করা হয়েছে, সেটাই আসল কথা। আর এক্ষেত্রে ভারতীয় সেনা সঙ্গে সঙ্গে রণকৌশল বদলে হামলা চালিয়েছিল। সবশেষে কী হয়েছে, তা গোটা বিশ্ব দেখেছে।
যদিও ঠিক কতগুলি ভারতীয় বিমান ধ্বংস হয়েছে সেই হিসেব না দিলেও তিনি বলেছিলেন, হারানো বিমানের সংখ্যা নয়, বরং শত্রুর হামলায় যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে কৌশলগত শিক্ষার ওপরই মনোযোগী হওয়া উচিত।