Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

পাকিস্তানি মহাকাশচারিকে ট্রেনিং দিয়ে মহাকাশে পাঠাবে চিন! বেজিং-ইসলামাবাদ সম্পর্কের নয়া সমীকরণ

একাধিক চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নির্বাচিত পাকিস্তানি মহাকাশচারী চিনা ‘তাইকোনট’-দের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেবেন। প্রস্তুতির পর স্বল্প সময়ের জন্য কক্ষপথে অবস্থান করবেন তিনি। 

পাকিস্তানি মহাকাশচারিকে ট্রেনিং দিয়ে মহাকাশে পাঠাবে চিন! বেজিং-ইসলামাবাদ সম্পর্কের নয়া সমীকরণ

শাহবাজ শরিফ এবং শি জিনপিং

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 30 October 2025 12:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিন-পাকিস্তান (China-Pakistan) বন্ধুত্ব হতে চলেছে আরও শক্তিশালী! সাম্প্রতিক এক খবরে মিলছে এমনই ইঙ্গিত। কারণ, পাকিস্তানি মহাকাশচারিকে (Pakistani Astronaut) ট্রেনিং দিতে চলেছে চিন! ফলে মানববাহী মহাকাশ অভিযানে অংশগ্রহণকারী প্রথম দিকের দেশগুলির তালিকায় নাম তোলার পথে এগোচ্ছে পাকিস্তান।

চাঁদের পরে মহাকাশের অন্য অংশে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির উপস্থিতি বাড়ছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই জানা গেছে, চিনের তিয়ানগং স্পেস স্টেশনে (Tiangong Space Station) স্বল্পমেয়াদি মিশনে অংশ নেবেন এক পাকিস্তানি মহাকাশচারী - এমনই ঘোষণা করেছে বেজিং।

একাধিক চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নির্বাচিত পাকিস্তানি মহাকাশচারী চিনা ‘তাইকোনট’-দের (Taikonauts) সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেবেন। প্রস্তুতির পর স্বল্প সময়ের জন্য কক্ষপথে অবস্থান করবেন তিনি। দুই দেশের মহাকাশ সংস্থা - চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সি ও পাকিস্তানের সুপারকো ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ ও মিশনের সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা শুরু করেছে।

বেজিংয়ের বক্তব্য, উন্নয়নশীল দেশগুলির যৌথ বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও শান্তিপূর্ণ মহাকাশ গবেষণার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। বিশ্লেষকদের মত, মহাকাশ সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি এই উদ্যোগ বেজিং-ইসলামাবাদ (Pakistan-China Relation) কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্ত করে দেবে।

২০২২ সালে পূর্ণমাত্রায় কার্যকর হওয়ার পর থেকেই তিয়ানগং একাধিক মানববাহী ‘শেনঝু’ অভিযানের সাক্ষী। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও নভোচারী বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্টেশনটি ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। চিন আগেই জানিয়েছিল, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলিকে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় তারা।

২০১৮ সালে চিনের সহযোগিতায় প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর থেকেই মহাকাশ গবেষণায় অগ্রগতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নতুন মিশন পাকিস্তানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রতীকী মর্যাদা দু’দিকেই বড় ভূমিকা রাখবে।

এই খবর এমন একটা সময়ে এল যখন ভারতও (India) মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত নিজস্ব রকেটে একজন মানুষকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠাবে। আর তার অভিযানের ট্রায়াল দিতে চলেছে ইসরো (ISRO)। ‘গগনযান’ মিশনের (Gaganyaan) আগে পরীক্ষামূলক এক অভিযানে পাঠানো হবে একটি রোবটকে (Robot)! সেই প্রেক্ষিতে বলা যায়, নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা।

দেশের প্রথম মানবাকৃতি রোবট ‘ব্যোমমিত্রা’কে (Vyommitra) পাঠানো হবে ‘গগনযান’-এর আগের ট্রায়াল অভিযানে (Trial Mission)। এই মিশনের মাধ্যমে মহাকাশযানের সুরক্ষা ও পরিবেশ যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবে রোবটটি।

‘ব্যোমমিত্রা’ নামের অর্থ ‘মহাকাশের বন্ধু’। সংস্কৃত শব্দ ‘ব্যোম’ মানে মহাকাশ এবং ‘মিত্র’ মানে বন্ধু। ২০২০ সালের শুরুতে প্রথমবার ‘ব্যোমমিত্রা’কে সামনে আনে ইসরো। মানুষের মতো মুখভঙ্গি, কণ্ঠ ও বুদ্ধি সম্পন্ন এই রোবট তৈরি হয়েছে ভারতের প্রথম মানববাহী মহাকাশ অভিযান ‘গগনযান’-এর জন্য।

ইসরোর বিজ্ঞানীদের দাবি, ‘ব্যোমমিত্রা’ কোনও সাধারণ টেস্ট ডামি রোবট নয়। এটি আধুনিক সেন্সর (Censor), ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম (VRS) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা চালিত একটি সেমি-হিউম্যানয়েড রোবট। এর মূল কাজ হবে মহাকাশে মানুষের মতো আচরণ করে মহাকাশযানের যন্ত্রপাতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা।


```