গাজার পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বোর্ড অব পিস, গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করলেন চেয়ারম্যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। মানবিক সাহায্য, নিরাপত্তা বাহিনী ও পুনর্গঠনের রূপরেখা নিয়ে নতুন বার্তা দিল মার্কিন প্রশাসন।

বোর্ড অফ পিস ও ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি
শেষ আপডেট: 16 February 2026 07:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাজা (Gaza) পুনর্গঠন আর মানবিক ত্রাণে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (USD 5 Billion) প্রতিশ্রুতি দিল বোর্ড অব পিস (Board of Peace)। রবিবার এক বিবৃতিতে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তাঁর বক্তব্য, এই আন্তর্জাতিক সংস্থা ইতিহাসে ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী’ হতে চলেছে। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি ‘আপ্লুত’।
গত বছর অক্টোবর মাসে তিনি যে বোর্ড অব পিস তৈরি করেছিলেন ট্রাম্প নিজে, তা ইতিমধ্যেই ইউনাইটেড নেশনস সিকিওরিটি কাউন্সিল (UNSC) সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করেছে। তাঁর দাবি, এই বোর্ডের ‘অসীম সম্ভাবনা’ রয়েছ আগামিদিনে। ঘোষণার পর মানবিক ত্রাণ “রেকর্ড গতিতে” পৌঁছেছে—যার ফলে জীবিত ও মৃত, দুই ধরনেরই বন্দি উদ্ধার সম্ভব হয়।
নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ট্রাম্প লেখেন, গত মাসেই দাভোসে (Davos, Switzerland)দুই ডজন ফাউন্ডিং মেম্বারকে নিয়ে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক সূচনা উদ্যাপন করেন তিনি। গাজার সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে সেখানে একটি বিস্তৃত রূপরেখা দেওয়া হয়। এর লক্ষ্য শুধু গাজা নয়, “শেষ পর্যন্ত বিশ্বশান্তি (World Peace)।”
ট্রাম্প বলেন, '১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ তিনি আবারও বোর্ড অব পিসের সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করবেন ওয়াশিংটন ডিসি-তে। সদস্য দেশগুলি মিলে গাজার মানবিক সাহায্য ও পুনর্গঠনে যে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি দেওয়া হচ্ছে, তা ঘোষণা করা হবে সেখানে। সেই সঙ্গে গাজার নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স আর স্থানীয় পুলিশে হাজার হাজার কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রুতিও মিলবে।'
বোর্ড অব পিস—গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট
বোর্ড অব পিসের ২০ সদস্যের বৈঠক হবে ইউএস ইনস্টিটিউট অফ পিসে। তবে ১৯ ফেব্রুয়ারির বৈঠকে কারা কারা উপস্থিত থাকবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঠিক কত দেশ স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সে বাহিনী দেবে, তাও বলেননি ট্রাম্প। তবে ইতিমধ্যেই ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে, জুনের শেষে গাজায় তাদের প্রায় আট হাজার সেনা মোতায়েন হতে পারে।
বোর্ড অব পিসের লক্ষ্য, গাজায় হামাস (Hamas) ও ইজরায়েলের (Israel) মধ্যে দু’বছর ধরে চলা সংঘাত থামানো। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বারবার যুদ্ধবিরতির পক্ষে সওয়াল করেছে, অভিযোগ, ইজরায়েল এখনও হামলার গতি কমায়নি। গাজায় সাধারণ মানুষের মৃত্যু নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে।