যখন চিন্তা-ভয় স্থায়ী হয়ে পড়ে, দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তখন তা আর সাধারণ উদ্বেগ নয়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 October 2025 22:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোনও বিষয় নিয়ে বারবার চিন্তা করতে করতে মানুষের মনের এক সাধারণ অনুভূতি বলা যেতে পারে। কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আগে - যেমন পরীক্ষা, ইন্টারভিউ বা প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় - সামান্য দুশ্চিন্তা আমাদের সতর্ক রাখে, পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে। কিন্তু যখন এই চিন্তা-ভয় স্থায়ী হয়ে পড়ে, দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তখন তা আর সাধারণ উদ্বেগ নয় - সেটাই হয়ে ওঠে এক মানসিক সমস্যার শুরু।
নতুন গবেষণা বলছে, অ্যাংজাইটির প্রাথমিক লক্ষণ চিহ্নিত করতে পারাই মানসিক সুস্থতার প্রথম ধাপ। এ বিষয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন দিল্লির ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মনোবিদ্যা ও আচরণবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান সমীর মালহোত্রা।
ডাঃ মালহোত্রার মতে, “যদি অ্যাংজাইটি বা মানসিক অস্থিরতা দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় বা দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “মানসিক যন্ত্রণা একা বয়ে নিয়ে যাওয়ার জিনিস নয়। কাছের মানুষ বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা সুস্থতার পথে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে।”
অ্যাংজাইটির মূল লক্ষণ:
ডাঃ মালহোত্রা তিনটি ভাগে এই উপসর্গগুলি ভাগ করেছেন -
১. মানসিক পরিবর্তন
২. শারীরিক উপসর্গ
৩. চিন্তা ও আচরণে পরিবর্তন
ডা; মালহোত্রা সতর্ক করেছেন, অনেক সময় অ্যাংজাইটির সঙ্গে বিষণ্নতাও (ডিপ্রেশন) দেখা দেয়। তার কিছু লক্ষণ -
সমাধান নেই, এমনটা কিন্তু নয়
বিশেষজ্ঞের মতে, অ্যাংজাইটির মতো মানসিক সমস্যার দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে সুস্থতার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। “থেরাপি, জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাংজাইটি থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব,” বলেন ডাঃ মালহোত্রা।