Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

প্রেগন্যান্সিতে শুধু যত্ন নয়, মায়ের প্রাণখোলা হাসিও শিশুর বিশেষ খেয়াল রাখে, বলছেন ডাক্তারবাবু

শিশু যখন গর্ভে থাকে, তখন মায়ের মন ভাল থাকা এবং খিলখিল হাসিই শিশুর জন্য জন্মের আগের এক 'আপগ্রেড'।

প্রেগন্যান্সিতে শুধু যত্ন নয়, মায়ের প্রাণখোলা হাসিও শিশুর বিশেষ খেয়াল রাখে, বলছেন ডাক্তারবাবু

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 25 January 2026 18:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মা যদি প্রেগন্যান্সি (Pregnancy)-তে হাসিখুশি থাকে তাহলে গর্ভস্থ সন্তানও সুস্থ থাকে। কিন্তু এর কি আদৌ কোনও বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা আছে? এই সংক্রান্ত সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এই কথার যথেষ্ট বাস্তব ভিত্তি রয়েছে। গর্ভবতী মায়ের হাসি গর্ভের শিশুর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য গঠনে সরাসরি সহায়তা করতে পারে (Maternal laughter during pregnancy benefits baby)।

২৫ জানুয়ারি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে এই বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন ব্রিটেনের সার্জন ও স্বাস্থ্য-বিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডা. করণ রাজন। তাঁর কথায়, শিশু যখন গর্ভে থাকে, তখন মায়ের মন ভাল থাকা এবং খিলখিল হাসিই (Maternal Health) শিশুর জন্য জন্মের আগের এক 'আপগ্রেড' (Fetal Development)। কীভাবে এই প্রক্রিয়া কাজ করে, সেটাও তিনি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করেছেন।

শিশুর স্ট্রেস রেসপন্স সিস্টেম তৈরি হয়

মা যখন হাসেন, তখন তাঁর শরীরে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই এন্ডোরফিন প্লাসেন্টা পেরিয়ে গর্ভের শিশুর শরীরে পৌঁছে যায়। ডা. রাজনের বক্তব্য, “এই এন্ডোরফিনই শিশুর সারাজীবনের স্ট্রেস রেসপন্স সিস্টেমকে আগে থেকে তৈরি করে দেয়।” অর্থাৎ ভবিষ্যতে চাপের পরিস্থিতিতে শিশুর শরীর কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তার ভিত্তি তৈরি হতে থাকে গর্ভাবস্থাতেই।

ইউটেরাসে রক্তপ্রবাহ বাড়ে, শিশুর মস্তিষ্কে বেশি অক্সিজেন পৌঁছয়

হাসির ফলে মায়ের শরীরে ইউটেরাসের দিকে রক্তপ্রবাহ প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। এর ফলে গর্ভে বেড়ে ওঠা শিশুর মস্তিষ্কে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছয়, যা মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্নায়ু-আচরণগত গঠনে সহায়তা করে

ডা. রাজনের মতে, মায়ের হাসির ফলে শরীরে যে রিল্যাক্সেশনের অনুভূতি তৈরি হয়, তা গর্ভের শিশুর হার্ট রেট ভ্যারিয়েবিলিটি বাড়ায়। “এই পরিবর্তন স্নায়ু-আচরণগত গঠনকে (neurobehavioral maturation) সমর্থন করে,” বলেন তিনি।

মায়ের হাসি থেকে তৈরি হওয়া কাঁপুনিতে বাচ্চার কোনও ঝুঁকি নেই

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, মায়ের হাসির কম্পন কি শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ? এ প্রসঙ্গে ডা. রাজন আশ্বস্ত করে জানান, “ইউটেরাস ফোর্স প্রোটেকশনে অত্যন্ত দক্ষ” এবং “অ্যামনিওটিক ফ্লুইড ও আশপাশের টিস্যু সমস্ত ধাক্কা শোষণ করে নেয়।” ফলে হাসির কম্পনে শিশুর আগেভাগে জন্মের কোনও আশঙ্কা থাকে না।

ডায়াফ্রামের ছন্দময় কম্পনই শিশুর ‘সফটওয়্যার আপগ্রেড’

মা যখন হাসেন, তখন ডায়াফ্রামের ছন্দময় নড়াচড়া অ্যামনিযওটিক ফ্লুইডে এক ধরনের নরম ‘ট্র্যাম্পোলিন এফেক্ট’ তৈরি করে। ডা. রাজনের ভাষায়, এটি গর্ভে বেড়ে ওঠা ছোট্ট মানুষটির জন্য একপ্রকার ‘সফটওয়্যার আপগ্রেড’।

তিনি জানান, ১০০ থেকে ৩০০ হার্টজের এই নিম্ন-কম্পাঙ্কের দোলন শিশুর ভেস্টিবুলার সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে। এই সিস্টেমই শিশুর শরীরে ভারসাম্য ও সমন্বয় নিয়ন্ত্রণ করে। “এটি যেন জন্মের আগেই এক ধরনের দোলনা, যা মোটর কো-অর্ডিনেশন উন্নত করে,” বলেন তিনি।

জন্মের সময় শিশুর মাথা ঠিকঠাক জায়গায় থাকে

ডা. রাজনের দাবি, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় বেশি হাসতেন, তাঁদের শিশুদের জন্মের সময় মাথা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি উন্নত ছিল।

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই সংক্রান্ত কোনও মতামত দ্য ওয়ালের নয়। দ্য ওয়াল স্বাস্থ্য / সাজগোজ সম্পর্কিত কোনও সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। নিজের মতামতকে গুরুত্ব দিন।


```