বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) এক সমীক্ষা অনুযায়ী, স্থূলতা, ডায়াবেটিস আর কোলেস্টেরলের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রভাব অল্প বয়সেই ধরা পড়ছে, যার সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে হৃদরোগের সমস্যা।
.jpeg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 6 July 2025 19:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বয়স ৩০ পেরনোর আগেই হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) আশঙ্কা! শুনতে অস্বাভাবিক লাগলেও আজকের দিনে তা কিন্তু বাস্তব। অনিয়মিত জীবনযাত্রা, দুশ্চিন্তা, বসে বসে কাজ আর ভুল খাওয়াদাওয়ার জন্য দিন দিন বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি (Risk of Heart Attack)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) এক সমীক্ষা অনুযায়ী, স্থূলতা, ডায়াবেটিস আর কোলেস্টেরলের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রভাব অল্প বয়সেই ধরা পড়ছে, যার সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে হৃদরোগের সমস্যা। ফলে এখনই যদি সচেতন না হওয়া যায়, তাহলে বিপদ আরও বাড়তে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই, চিকিৎসকদের মতে, কয়েকটি সহজ পরিবর্তন আনলেই অনেকটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
১. বেশি করে ফাইবার খাওয়া অভ্যেস করুন:
ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং ডাল জাতীয় খাবারে ফাইবার (Fiber) প্রচুর পরিমাণে থাকে। এগুলি হজমে সাহায্য করে, শরীরের প্রদাহ কমায় এবং অন্ত্রকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত ফাইবার খেলে হৃদয়ের স্বাস্থ্য অনেকটাই ভালো থাকে।
২. এড়িয়ে চলুন প্যাকেটজাত ও প্রসেসড খাবার:
চিপস, প্যাকেট স্ন্যাকস বা রেডি টু ইট খাবার শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব খাবার হজমের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হার্টের উপর চাপ ফেলে।
৩. খাবারে রাখুন ফার্মেন্টেড আইটেম:
দই, কেফির, কিমচি বা আচার জাতীয় কিছু খাবার অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং হার্টও সুরক্ষিত থাকে।
৪. রেড মিট ও ডিম খাওয়া কমান:
অতিরিক্ত মাংস (Meat) বা ডিম (Egg) খাওয়ার ফলে অন্ত্রে কিছু রাসায়নিক তৈরি হয়, যেগুলি রক্তনালী বন্ধ করে দিতে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রের উপরে। তাই এই ধরনের খাবার খেতে হলে পরিমাণমতোই খান।
৫. জল খান বেশি, কমান মানসিক চাপ:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল খেলে হজম ভালো থাকে এবং শরীর পরিষ্কার থাকে। অন্যদিকে মানসিক চাপ থাকলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা হৃদরোগ ডেকে আনতে পারে।
সব মিলিয়ে, সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিনের খাবারে সামান্য বদল আনাই যথেষ্ট। আরেকটু সচেতন হলেই হার্ট থাকবে সুস্থ, জীবন চলবে নিশ্চিন্তে।