এক প্লেট ধোঁয়াওঠা মোমো শুধু খাবার নয়, এ যেন এক আবেগ।

শেষ আপডেট: 20 July 2025 19:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক প্লেট ধোঁয়াওঠা মোমো শুধু খাবার নয়, এ যেন এক আবেগ। রাস্তার ধারের স্টলে হোক বা বাড়ির রান্নাঘরে, মোমোর প্লেট হাতে পেলেই মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু একটা প্রশ্ন নিয়ে মনে একটা খুঁতখুঁতানি থেকেই যায়। মোমো সেদ্ধই (স্টিমড) ভাল, নাকি ভাজা (ফ্রায়েড)?
এবার মুশকিল আসান করতে এই চিরচেনা দ্বন্দ্বের জবাব দিলেন সেলিব্রিটি পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবেকর।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রুজুতাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, বাজারে এত রকম মোমোর মধ্যে কোনটা স্বাস্থ্যকর? তার উত্তরে তিনি বলেন, “সব মোমোই খারাপ, যদি না আপনি স্পিতি বা কিন্নর ট্রেক করছেন আর স্থানীয় হোমস্টেতে বসে হাতে বানানো ‘খাঁটি আর আসল’ মোমো খাচ্ছেন।”
শহরের রাস্তার ধারের মোমোকে তিনি “স্রেফ স্ট্রিট ফুড” বলেই আখ্যা দেন। সঙ্গে রসিকতা করে বলেন, “যদি কেউ আপনার মোমোর প্লেটের দাম দিয়ে দেয়, তাহলে সেটাই সবচেয়ে ভাল মোমো।”
রুজুতার পরামর্শ অনুযায়ী, যদি একেবারেই মোমো ছাড়া চলছে না মনে হয়, তাহলে সপ্তাহে একবার খাওয়া যেতে পারে।
এবার তাঁকে আরও একটি প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়, মোমোর থেকে কি সোয়া চাঁপ একটু হলেও ভাল? উত্তরে রুজুতা বলেন, “এবারেও একই কথা বলব, দুটোই সমান খারাপ। যদি না কেউ অন্য কেউ আপনার খাবারের দাম দিয়ে দিচ্ছে।”
মোমো নিয়ে যে তিনি এই প্রথম কিছু বললেন এমনটা নয়। এর আগে নিজের বই ‘ডোন্ট লুজ ইয়োর মাইন্ড, লুজ ইয়োর ওয়েট’ (Don’t Lose Your Mind, Lose Your Weight)-এ রুজুতা লিখেছেন, কীভাবে বলিউড অভিনেত্রী করিনা কাপুর খান লাদাখে মোমো খেয়ে ওজন কমিয়েছিলেন।
তাঁর কথা, “লাদাখে করিনা মোমো খেতেন, কারণ ওখানকার আবহাওয়া শুষ্ক, ঠান্ডা, আর উচ্চতা ৩৫০০ মিটার। কিন্তু মুম্বইতে একই মোমো খেলে ওজন বেড়ে যেত।”
তিনি করিনার কথাও উদ্ধৃত করেন বইয়ে। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি যখন লাদাখে শ্যুট করছিলাম, তখন সকালে থাকত ফল আর পুদিনা চা (দুধ ছাড়া)। মাঝে মাঝে মোমো আর থুকপাও খেতাম। শ্যুটের শেষদিনে একটা পিজ্জাও খেয়েছিলাম।”