রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী আগামী মরশুমের সন্তোষ ট্রফির জন্য বাংলা দলের কোচ হিসাব আমার নাম বলেছেন। বাস্তবিকই আমি অবাক হয়ে গিয়েছি। এই সিদ্ধান্ত আমার কাছে খুব গর্বের।

আইএফএ-র অনুষ্ঠান
শেষ আপডেট: 23 June 2025 19:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মরশুমে সঞ্জয় সেনের (Sanjoy Sen) কোচিংয়ে সন্তোষ ট্রফি (Santosh Trophy Coach) জিতেছিল বাংলা। একঝাঁক তরুণ ফুটবলারকে নিয়ে চেতলার সঞ্জয় বাংলাকে এনে দিয়েছিলেন সাফল্য। আসন্ন মরশুমেও মোহনবাগানের এই আই লিগজয়ী কোচকে রেখেই সন্তোষ খেলবে বাংলা, এমনটাই সোমবার জানিয়ে দিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Bengal Sports Minister Arup Biswas)।
এদিন ছিল ভারতীয় ফুটবলের প্রবাদপ্রতিম নক্ষত্র প্রয়াত পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের (PK Banerjee) ৮৯তম জন্মদিবস। তাঁকে সম্মান জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে এবার বঙ্গ ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা আইএফএ (IFA)। প্রাক্তন এই জাতীয় ফুটবলারের জন্মিদনে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল আইএফএ। সেখানে জানানো হল, পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে মর্যাদাপূর্ণ কলকাতা ফুটবল লিগকে (Kolkata Football League) উৎসর্গ করা হল তাঁর নামে।
এদিন আইএফএ আয়োজিত সিএফএলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে তিনি জানান, গত মরশুমের সাফল্যের কথা ভেবে এবারও সন্তোষ ট্রফিতে বাংলাকে কোচিং করাবেন সঞ্জয় সেন।
ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, “আসন্ন মরশুমেও বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের কোচ থাকবেন সঞ্জয় সেন।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “আইএফএ আমার দাবি রেখেছে। আমি বলেছিলাম প্রতিটি দলে কমপক্ষে ৬ জন বাঙালি ফুটবলার রাখতেই হবে। তারা আমার সেই দাবি পূরণ করেছে। আমি চাইব আগামী দিনে সিএফএলে ১১ জন বঙ্গ সন্তান খেলুক।”
অরূপ বিশ্বাস সেই সঙ্গে বলেছেন, ভারতীয় দলে একজন মাত্র বাঙালি খেলোয়াড় ছিলেন। সেই শুভাশিস বোসকেও বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইএফএ-এর কাছে আর একটি দাবি রেখেছেন বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি এদিন সাফ বলেছেন, বাংলার ফুটবলের উন্নতি করতে হবে রেফারিংয়ের মান উন্নত করতেই হবে।
এদিনের অনুষ্ঠানে আইএফএ সেক্রেটারি অনর্বাণ দত্ত বলেছেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কলকাতা ফুটবল লিগকে প্রতিবছরই উৎসর্গ করা হবে প্রাক্তন ফুটবলারদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে। এ বছর পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। পরের বার অন্য কারও নামে করা হবে।”
সঞ্জয় সেন এদিন বলেন, “রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী আগামী মরশুমের সন্তোষ ট্রফির জন্য বাংলা দলের কোচ হিসাব আমার নাম বলেছেন। বাস্তবিকই আমি অবাক হয়ে গিয়েছি। এই সিদ্ধান্ত আমার কাছে খুব গর্বের। তবে দল গঠন করা ও পর্যাপ্ত অনুশীলনের জন্য আমার কিছুটা সময় চাই।”