আসলে আইএফএ-র সচিব পদে বসার পর থেকেই অনির্বাণ দত্ত বাংলার ফুটবলের উন্নতির জন্য বেশ কিছু কার্যকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন। এবার আইএফএ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কলকাতা লিগে পঞ্চম ডিভিশন থেকে প্রিমিয়ার ডিভিশনে কোচিংয়ের ক্ষেত্রেও লাইসেন্সধারী কোচ বাধ্যতামূলক।
_0.png.webp)
আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত
শেষ আপডেট: 27 May 2025 14:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বঙ্গ ফুটবলের (Bengal Football) উন্নতিকল্পে সম্প্রতিকালে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলার ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা আইএফএ (IFA)। যার ফলশ্রুতিতেই এবার সন্তোষ ট্রফি জিতেছে বাংলা। উঠে এসেছেন রবি হাঁসদা, ইসরাফিল দেওয়ানের মতো একঝাঁক বাঙালি ফুটবলার।
পাশাপাশি আইএফএ এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার কলকাতা লিগের প্রিমিয়র ডিভিশনে ছয় জন ভূমিপুত্র রাখতেই হবে প্রথম ডিভিশনে। যা এর আগে ছিল পাঁচ জন। পাশাপাশি কোচ নিযুক্ত করার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএফএ।
আসলে আইএফএ-র সচিব পদে বসার পর থেকেই অনির্বাণ দত্ত বাংলার ফুটবলের উন্নতির জন্য বেশ কিছু কার্যকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন। এবার আইএফএ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কলকাতা লিগে (Kolkata Football League) পঞ্চম ডিভিশন থেকে প্রিমিয়ার ডিভিশনে কোচিংয়ের (Fifth to Premier Division Coach) ক্ষেত্রেও লাইসেন্সধারী কোচ (Licensed Coach) বাধ্যতামূলক। কোন ডিভিশনে কোন কোন ক্যাটাগরির কোচ কোচিং করতে পারবেন তার একটা সুস্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করে ক্লাবগুলিকে জানিয়েও দিয়েছে বঙ্গ ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ক্যাটেগরির কোচ কোন ডিভিশনে কোচিং করাতে পারবেন
পঞ্চম ডিভিশন থেকে তৃতীয় ডিভিশনের ক্লাবে ‘ডি’ লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচেরা কোচিং করতে পারবেন।
প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশনে ‘সি’ লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচেরা কোচিং করাতে পারবেন।
প্রিমিয়ার ডিভিশনে কোচিং করাতে প্রয়োজন ‘বি’ লাইসেন্স।
এর পাশাপাশি প্রত্যেক ক্লাবে একজন করে ফিজিও থেরাপিস্ট রাখাও বাধ্যতামূলক করেছে আইএফএ।
নতুন এই নির্বাচনের বিষয়ে অনির্বাণ দত্ত বলেছেন, “বাংলার বহু কোচ পাস করে বসে আছেন, অথচ কোচিং করানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। কোচিং লাইসেন্স পাওয়ার পর যদি ক্লাব কোচিং করার সুযোগ না পান তাহলে নতুন কোচ কী ভাবে উঠে আসবে?ফুটবলের মূল স্রোতে তাঁদের সুযোগ দিতেই আমারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছি।”
আসলে সম্প্রতিকালে কোচিং লাইসেন্স করে বসে আছেন বেশ কিছু বাঙালি কোচ। টাকা খরচ করে, পরিশ্রম করে, পরীক্ষা দিয়ে তাঁরা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের কাছে কোচিং করানোর কোনও সুযোগ আসছিল না। এমনই অভিযোগের পাশাপাশি হতাশা, আক্ষেপ ছিল পাস করা কোচেদের মধ্যে। এবার সেই সমস্যার দূর করতেই উদ্যোগী হয়েছেন আইএফ সচিব।