Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

EPL: ত্রাতা সেই হালান্ড! লিভারপুলকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগ জমিয়ে দিল ম্যানচেস্টার সিটি

আর্সেনালের ঘাড়ে নি:শ্বাস ফেলছে সিটিজেনরা। মাত্র ৬ পয়েন্ট পেছনে। বাকি ১৪ ম্যাচ। শেষ হাসি হাসবে কারা? বলা বেজায় মুশকিল!

EPL: ত্রাতা সেই হালান্ড! লিভারপুলকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগ জমিয়ে দিল ম্যানচেস্টার সিটি

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 9 February 2026 00:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অ্যানফিল্ডে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত কেউই নিশ্চিত ছিল না, ম্যাচটা কোন দিকে যাবে। ৯০ মিনিট পার, স্কোরলাইন ১–১। ঠিক তখনই নাটকের চূড়ান্ত মোড়। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিলেন এরলিং হলান্ড (Erling Haaland)। অন্তিম ফল: লিভারপুল (Liverpool) ১–২ ম্যানচেস্টার সিটি (Manchester City)। যার সুবাদে শিরোপা দৌড়ে আরেকবার শক্ত বার্তা পাঠাল পেপ গুয়ার্দিওলার দল।

ম্যাচের শুরুটা ছিল চাপা উত্তেজনায় ভরা। প্রথমার্ধে বলের দখল বেশি ছিল সিটির পায়ে। বার্নার্ডো সিলভা (Bernardo Silva) মাঝমাঠে খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করছিলেন, একাধিকবার সুযোগ তৈরি করলেও লিভারপুল রক্ষণ ভাঙতে পারেনি সিটি। গোলরক্ষক আলিসন (Alisson) দু-একবার বড় বিপদ সামলে দেন। বিরতিতে ম্যাচ তাই গোলশূন্যই থাকে।

দ্বিতীয়ার্ধে ছবিটা বদলাতে শুরু করে। লিভারপুল ধীরে ধীরে আগ্রাসী হয়। মাঝমাঠে গতি বাড়ান ডোমিনিক সোবোস্লাই (Dominik Szoboszlai)। ৭৪ মিনিটে তার প্রতিদান মেলে। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া এক ফ্রি-কিকে অবিশ্বাস্য শট। বল বাঁক খেতে খেতে পোস্টে লেগে জালে—অ্যানফিল্ডে উচ্ছ্বাসের বিস্ফোরণ! ১–০ এগিয়ে যায় লিভারপুল।

তখন মনে হচ্ছিল, ম্যাচটা হয়তো এখানেই শেষ। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটি হাল ছাড়ার দল নয়। গোল খাওয়ার পর থেকেই চাপ বাড়াতে থাকে তারা। ৮৪ মিনিটে সমতা ফেরান বার্নার্ডো সিলভা (Bernardo Silva)। ডান দিক থেকে আসা এক লুপিং ক্রসে হালান্ড (Erling Haaland) হেডে বল নামিয়ে দেন বিপজ্জনক জায়গায়। অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে ঢুকে পড়েন সিলভা, নিখুঁত ফিনিশ। ১–১।

এরপর খেলাটা পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকে। দু’দলই সাবধানী, তবু সুযোগ-সম্ভাবনা তৈরি হয়। অবশেষে যোগ করা সময়ে নাটক। ৯০+১ মিনিটে সিটির মিডফিল্ডার মাতেউস নুনেস (Matheus Nunes) দ্রুতগতিতে বক্সে ঢুকে পড়েন। আলিসন (Alisson) গোল ছেড়ে বেরিয়ে আসতেই অবৈধ ট্যাকল! পড়ে যান নুনেস। রেফারির সিদ্ধান্তে কোনও দ্বিধা নেই—পেনাল্টি।

স্পটকিকের দায়িত্ব নেন হালান্ড (Erling Haaland)। চাপের মুহূর্ত, অ্যানফিল্ডে শিস আর চিৎকার। কিন্তু নরওয়ের স্ট্রাইকার ঠান্ডা মাথায় বল পাঠান ডানদিকে। আলিসন দিক ঠিকঠাক বাছাই করলেও হাত ছোঁয়াতে পারেননি। ৯০+৩ মিনিটে গোল। ২–১। ম্যাচের ফল আর শিরোপা দৌড়—সবকিছু বদলে গেল এক কিকে!

সিটির এই জয়ের সুবাদে প্রিমিয়ার লিগের লড়াই আরও জমে উঠল। আর্সেনালের ঘাড়ে নি:শ্বাস ফেলছে সিটিজেনরা। মাত্র ৬ পয়েন্ট পেছনে। বাকি ১৪ ম্যাচ। শেষ হাসি হাসবে কারা? বলা বেজায় মুশকিল!


```