ডার্বি থেকে প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ এদিন খড়কুটোর মতো বেহালা এসএসকে ৬-০ গোলে হারাল লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব।

ইস্টবেঙ্গল
শেষ আপডেট: 29 July 2025 18:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ময়দানের প্রাচীন প্রবাদ, ‘ডার্বি জিতলেই পরের ম্যাচে হোঁচট খেতে হয়।’ এই মিথ এবার ভেঙে দিলেন বিনো জর্জের ছাত্ররা। কলকাতা ফুটবল লিগের (CFL) প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল (Eastbengal) এদিন বেহালা এসএসকে হারিয়েছে আধ ডজন গোলের ব্যবধানে।
চলতি কলকাতা লিগে শুরুটা একদমই ভাল হয়নি লাল-হলুদের। একের পর এক পয়ন্টে নষ্ট করে লিগ টেবিলের অনেকটাই নীচে নেমে গিয়েছিল মশাল ব্রিগডে। গত শনিবারের ডার্বিতে নামার আগে মোহনবাগানকেই সবাই এগিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু কল্যাণীতে অনুষ্ঠিত ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গল মেরিনার্সকে হারিয়ে দেয় ৩-২ গোলে।
ডার্বি থেকে প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাস সংগ্রহ এদিন খড়কুটোর মতো বেহালা এসএসকে ৬-০ গোলে হারাল লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব। এদিন ইস্টবেঙ্গলকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন ছুটন্ত ঘোড়া। যে দলে কয়েকদিন আগেই বোঝাপড়া বলে কোনও বস্তু ছিল না, তারাই এদিন টগবগ করে ছুটল।
মঙ্গলবার বারাকপুরে শুরু থেকেই অপ্রতিরোধ্য ছিল লাল-হলুদ। বিএসএস রক্ষণে একের পর পর আক্রমণ চালাতে থাকেন চাকু মাণ্ডি, ডেভিড লালহানসাঙ্গারা। ১৮ মিনিটেই তন্ময়ের কর্নার থেকে চাকু মাণ্ডি এগিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলকে। ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডেভিড। ৩ মিনিট পরই তৃতীয় গোলটি পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। এবার গোলদাতা মহম্মদ আশিক। ৩ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বিনোর ছাত্ররা।
দ্বিতীয়ার্ধ জুড়েও দাপট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ৭২ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে আরও তিনটি গোল করে মশাল বাহিনী। গোলদাতারা হলেন যথাক্রমে নাসিব রহমান (৭১ মিনিট), মার্ক জোথানপুইয়া (৭৪ মিনিট) এবং গুইতে ভানলালপেকা (৭৫ মিনিট)।