Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

দিল্লির বায়ুদূষণে ভবিষ্যতে ৩৫ শতাংশ অসুস্থের মৃত্যুর শঙ্কা, লকডাউন জারির পরামর্শ গবেষণায়

জাতীয় পরিবেশ মানকের মাপকাঠি অনুযায়ী দিল্লির বাতাসে ভাসমান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর ধূলিকণার পরিমাণে যে গড় বৃদ্ধির হার, তা ঠেকাতে ২০৪০ সালের মধ্যে কোভিডের মতো লকডাউনের মতো অবস্থা জারি করতে হবে।

দিল্লির বায়ুদূষণে ভবিষ্যতে ৩৫ শতাংশ অসুস্থের মৃত্যুর শঙ্কা, লকডাউন জারির পরামর্শ গবেষণায়

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, পরিবেশ দূষণের মূল উৎস মানুষ।

শুভেন্দু ঘোষ

শেষ আপডেট: 1 December 2025 11:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড ১৯-এর সময়ের মতো লকডাউনের পরিস্থিতি সৃষ্টি না করতে পারলে দিল্লির বায়ুদূষণ ঠেকানো অসম্ভব। জাতীয় পরিবেশ মানকের মাপকাঠি অনুযায়ী দিল্লির বাতাসে ভাসমান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর ধূলিকণার পরিমাণে যে গড় বৃদ্ধির হার, তা ঠেকাতে ২০৪০ সালের মধ্যে কোভিডের মতো লকডাউনের মতো অবস্থা জারি করতে হবে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশ হয়েছে।

‘40 by 2040: Cost of inaction and delays in reaching Delhi’s air quality target’, শীর্ষক ওই গবেষণাপত্রে গত ৩৬ বছর (১৯৮৯-২০২৫) ধরে দিল্লির বাতাসের পিএম২.৫ (PM2.5)-এর বাড়বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংস্থা আরবান এমিশনসের দুই গবেষক শরৎ গুট্টিকুন্ডা ও সাইকৃষ্ণ দাম্মালাপতি বাতাসের মান নিয়ে সমীক্ষাকাজটি চালিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, দিল্লিতে ৫৫ শতাংশ মানুষের সৃষ্ট দূষণ, ৭৫ শতাংশ শীতকালীন উত্তাপ (অর্থাৎ আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম রাখা ধরনের দূষণ) এবং ফসলের গোড়া পোড়ানো ১০০ শতাংশ বন্ধ করতে পারলেই তবে তা সম্ভব।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, পরিবেশ দূষণের মূল উৎস মানুষ। একমাত্র তাকে ঠেকাতে পারলেই দিল্লি কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্যদের (CPCB) সুস্থ বায়ুমণ্ডল সম্পর্কিত মাপকাঠি  40 µg/m³-তে পৌঁছতে পারবে। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন নীতি ঘোষণা সত্ত্বেও শহরের বার্ষিক গড় দূষণ মাত্রা বেড়ে হয়েছে 100 µg/m³। যা জাতীয় মাপকাঠির আড়াই গুণ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশিকা ২০ গুণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বোচ্চ মাপকাঠি হল 5 µg/m³

গবেষণায় এর জন্য বিধি প্রয়োগে বিলম্ব এবং বৈজ্ঞানিক অথবা নীতিগ্রহণের অজ্ঞতাকে দোষী ঠাউরেছে। গবেষকরা বলেছেন, আর্থিক ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিপদ রয়েছে। নিষ্ক্রিয়তার মূল্য চোকাতে হবে এবং বিধি প্রয়োগের মূল্য দিতে হবে। দিল্লি যদি ২০৪০ সালের মধ্যে 40 µg/m³ এর জায়গায় মাত্র 60 µg/m³-তে পৌঁছয় তাহলে রাজধানীর ১১.৬ শতাংশ বিপদ বাড়বে। যদি বাতাসের বিষ 100 µg/m³-তেই থেকে যায়, তাহলে এই বাতাসের স্তরে প্রতি ১০০ জন অসুস্থের মধ্যে মৃত্যুহার বাড়বে ৩৫.৩ শতাংশে।

গবেষকরা এই প্রসঙ্গেই কোভিড-১৯ এর মতো লকডাউন নির্দেশিকা জারির পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি লকডাউনে দুটি ক্ষেত্রে কার্যকারিতার দিক থেকে কোনও প্রভাব পড়েনি। একটি শীতের কম সময় অবস্থান, কারণ আগুনে গা সেঁকার কোনও প্রয়োজন পড়ে না গ্রীষ্ম এবং বর্ষাকালে। তেমনই ফসলের গোড়া পোড়ানো বছরের দীর্ঘ সময় জুড়ে হয় না। 


```