Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মারIPL 2026: হেরেও শীর্ষে রাজস্থান! কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত কোন দুই তারকার দখলে? প্রকাশ্যে আয়-সম্পত্তির খতিয়ান, রাজ না শুভশ্রী! সম্পত্তির নিরিখে এগিয়ে কে? অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেফতারের পর এবার পরিবারের পালা! ইডির নজরে প্রতীক জৈনের স্ত্রী ও ভাই, তলব দিল্লিতেSakib Hussain: গয়না বেচে জুতো কিনেছিলেন মা, সেই ছেলেই আজ ৪ উইকেট ছিনিয়ে আইপিএলের নতুন তারকা

রবি শঙ্করের সেতারে মুগ্ধ রক লেজেন্ড, কেন ভারতকে নিজের সঙ্গীতের ঠিকানা বানিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন?

রবি শঙ্করের সুরে মুগ্ধ হয়ে দ্য বিটলস তারকা জর্জ হ্যারিসন ভারতে আসেন সিতার শেখার জন্য। মুম্বই থেকে কাশ্মীর, তারপর হৃষিকেশ— আধ্যাত্মিক সঙ্গীতযাত্রা বদলে দেয় তাঁর জীবন। 

রবি শঙ্করের সেতারে মুগ্ধ রক লেজেন্ড, কেন ভারতকে নিজের সঙ্গীতের ঠিকানা বানিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন?

রবি শঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসন

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 11 October 2025 19:40

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৬০-এর দশক। যখন পশ্চিমা সঙ্গীতের জগৎ ডুবে ছিল রক অ্যান্ড রোলের উন্মাদনায়, ঠিক তখনই এক ব্রিটিশ সুরস্রষ্টা মনোনিবেশ করলেন প্রাচ্যের আধ্যাতিকতা আর সঙ্গীতের দিকে। তিনি দ্য বিটলস ব্যান্ডের প্রধান সদস্য, জর্জ হ্যারিসন।

ভারতীয় সঙ্গীত এবং দর্শন বরাবরই হ্যারিসনকে আকর্ষণ করত। কিন্তু তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে গেল কিংবদন্তী সিতার মায়েস্ত্রো পণ্ডিত রবি শঙ্কর-এর সঙ্গে পরিচয়ের পর। এই সাক্ষাৎই জন্ম দিল এক বন্ধুত্ব এবং সঙ্গীতের নতুন পথের।

১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া 'নরওয়েজিয়ান উড (দিস বার্ড হ্যাজ ফ্লোন)' গানে সিতারের ব্যবহার ছিল এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। এটিই ছিল প্রথম পশ্চিমা পপ গান, যেখানে সিতারকে প্রধান বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরই শুরু হল জর্জের গভীর অনুসন্ধান।

১৯৬৬ সালে জর্জ হ্যারিসন পা রাখলেন ভারতে। রবি শঙ্করের কাছে সিতার প্রশিক্ষণ নিতে তিনি মুম্বই ও কাশ্মীরে কাটান দীর্ঘ ছয় সপ্তাহ। সেখানে তিনি শুধু সিতারের বিভিন্ন কৌশলই শেখেননি, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের রাগগুলিও রপ্ত করেছিলেন। এই শিক্ষাই তাঁর কাছে সঙ্গীতের এক নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।

এরপর, ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। ভারতীয় সংস্কৃতিতে আরও গভীরভাবে প্রবেশ করতে জর্জ হ্যারিসন তাঁর ব্যান্ডমেট জন লেনন, পল ম্যাককার্টনি এবং রিঙ্গো স্টার-এর সঙ্গে চলে আসেন ভারতের হৃষিকেশে। সেখানে মহর্ষি মহেশ যোগীর আশ্রমে তাঁরা অধ্যয়ন করেন ট্রান্সসেন্ডেন্টাল মেডিটেশন।

রবি শঙ্কর এবং জর্জ হ্যারিসনের সম্পর্ক শুধু গুরু-শিষ্যের ছিল না, এটি এমন এক বন্ধুত্বে পরিনত হয়েছিল, যা সারাজীবন থেকে যাবে। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-সহ বহু প্রকল্পে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। জর্জ হ্যারিসন প্রমাণ করেছিলেন, সঙ্গীত এবং ভালবাসায় কোনও সীমান্ত মানে না, তা প্রাচ্য হোক বা পাশ্চাত্য। ভারতীয় সুরের সেই জাদু আজও বিশ্বজুড়ে মানুষকে মুগ্ধ করে চলেছে।


```