বলিউডে দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফ তখনও বিরাট জায়গা করে নিতে পারেননি। তার বহু আগেই তাঁদের দেখা গিয়েছিল বিজয় মাল্যর কিংবদন্তি ‘কিংফিশার ক্যালেন্ডার’-এ।

‘কিংফিশার ক্যালেন্ডার’
শেষ আপডেট: 7 June 2025 14:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডে দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফ তখনও বিরাট জায়গা করে নিতে পারেননি। তার বহু আগেই তাঁদের দেখা গিয়েছিল বিজয় মাল্যর কিংবদন্তি ‘কিংফিশার ক্যালেন্ডার’-এ। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে বিতর্কিত ব্যবসায়ী-রাজনীতিক মাল্য জানালেন, কীভাবে তিনি দীপিকা ও ক্যাটরিনার মতো তারকাদের কেরিয়ারের একেবারে গোড়ার দিকেই বেছে নিয়েছিলেন। আর তারপরে কীভাবে কিংফিশার ক্যালেন্ডার হয়ে উঠেছিল একটি “স্ট্র্যাটেজিক ব্র্যান্ডিং এক্সারসাইজ”।
২০০৩ সালে কিংফিশার ব্র্যান্ডের অধীনে বিখ্যাত ফ্যাশন ফটোগ্রাফার অতুল কাসবেকরের পরিচালনায় চালু হয় এই বার্ষিক স্যুইমস্যুট ক্যালেন্ডার। দীপিকার আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০০৬ সালের সংস্করণে, ক্যাটরিনা ছিলেন প্রথম ক্যালেন্ডারেই, ২০০৩ সালে।
সম্প্রতি ইউটিউবার রাজ শামানির পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বিজয় মাল্য বলেন, “আমরা ঠিক মেয়েগুলোকেই বেছে নিয়েছিলাম। দীপিকা পাড়ুকোন হোক বা ক্যাটরিনা কাইফ—তাঁরা প্রত্যেকেই সেই সময় তরুণী ছিলেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে ভবিষ্যতের তারকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা ছিল। আমরা সঠিক প্রতিভা বেছে নিতে পেরেছিলাম।”
যাঁরা মনে করেন, এই ক্যালেন্ডার তাঁর ব্যক্তিগত ইচ্ছেপূরণের মাধ্যম ছিল, তাঁদের উদ্দেশে মাল্য সাফ জানিয়ে দেন, “এটা আমার ব্যক্তিগত কিছু ছিল না। এটা ছিল একটা দুর্দান্ত মার্কেটিং টুল। এটা ব্র্যান্ডের জন্য অসাধারণ কাজ করেছিল, আমার ব্যক্তিগত জীবনে কোনও প্রভাব ফেলে না।”
এতদিন পরে এই সাক্ষাৎকার ঘিরে সাড়া পড়েছে, বিশেষত কারণ ২০১৬ সালে দেশ ছেড়ে পালানোর পর মাল্য এই প্রথম কোনও জনসমক্ষে সাক্ষাৎকার দিলেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে থাকেন।