গোবিন্দর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিতে এক ধরনের অদৃশ্য বিভাজন কাজ করে। তাঁর মতে, বড় তারকারা সাধারণত সেটের অন্যান্য অভিনেতার কাছ থেকে পরামর্শ নিতে চান না। কারণ, তাতে নাকি তাঁদের মর্যাদা কমে যাবে—এমন একটা ধারণা কাজ করে।

শেষ আপডেট: 24 February 2026 15:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডে কাজ করছেন অভিনেতা গোবিন্দ নমদেব (Govind Namdev)। খলনায়ক থেকে নায়ক—বিভিন্ন ভূমিকায় তিনি নজর কাড়েছেন। বলিউডে নানা অধ্যায়ের সাক্ষী তিনি। দেখেছেন বহু অন্দরমহলের কঠিন লড়াই। তবে অধিকাংশই অভিজ্ঞতাই যে সুখকর হয় না,তা বলাই বাহুল্য। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ছবির সেটে তারকাদের বিশেষ সুবিধা এবং বৈষম্যের প্রসঙ্গ তুলে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন।
সেটে ‘হায়ারার্কি’ বাস্তবতা
গোবিন্দর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিতে এক ধরনের অদৃশ্য বিভাজন কাজ করে। তাঁর মতে, বড় তারকারা সাধারণত সেটের অন্যান্য অভিনেতার কাছ থেকে পরামর্শ নিতে চান না। কারণ, তাতে নাকি তাঁদের মর্যাদা কমে যাবে—এমন একটা ধারণা কাজ করে। তাঁর কথায়, “তারকারা ভাবেন, পরামর্শ চাইলে অন্যরা ধরে নেবেন তিনি কিছু জানেন না। তাই তাঁরা সাধারণত নিজেদের সমমর্যাদার কারও কাছেই কথা বলেন।”
তিনি আরও বলেন, অনেকেই তাঁকে ‘ছোট অভিনেতা’ বলেই মনে করেন। সেটে পারিশ্রমিক অনুযায়ী ভ্যানিটি ভ্যান, সুযোগ-সুবিধা—সবকিছু নির্ধারিত হয়। এমনকি খাবার পরিবেশনেও আলাদা ব্যবস্থা থাকে। তারকাদের জন্য একরকম, অন্যদের জন্য আরেকরকম—এমন ব্যবস্থাও নাকি এখনও দেখা যায়।
ব্যতিক্রমও আছে
তবে সব তারকাই এক নন, সেটাও স্পষ্ট করেছেন গোবিন্দ। তিনি জানান, ও মাই গড (OMG! Oh My God!) ছবির শুটিংয়ের সময় অক্ষয় কুমার ও পরিচালক মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সেটে সবাই একই খাবার খাবেন। সেই অভিজ্ঞতা তাঁর ভাল লেগেছিল। তাঁর কথায়, এটাই তো হওয়া উচিত, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় না।
দীর্ঘ কেরিয়ার
১৯৯২ সালে শোলা অউর শবনম (Shola Aur Shabnam) ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন গোবিন্দ নামদেব। এরপর ব্যান্ডিত কুইন (Bandit Queen), ভিরাসাত ( Virasat), সত্য (Satya), রাজু চাচা (Raju Chacha), জনি গড্ডর (Johnny Gaddaar)-সহ বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন। খলচরিত্রে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।