গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ হয়ে মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৯০ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান ব্যক্তিত্বকে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় জানা যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 10 March 2026 11:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত কয়েকদিন ধরে সেলিম খানের (Salim Khan) অসুস্থতা নিয়ে খান পরিবারে উদ্বেগ তুঙ্গে। বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগী। তবে অবশেষে এবার মিলছে স্বস্তির খবর। শোনা যাচ্ছে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তাঁর শারীরিক অবস্থার (Salim Khan Health Update) উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই তিনি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ হয়ে মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৯০ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান ব্যক্তিত্বকে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় জানা যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে তাঁকে প্রাথমিকভাবে আইসিইউতে রাখা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই বলিউড মহল এবং তাঁর ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
হাসপাতাল সূত্রে এখন জানা গিয়েছে, চিকিৎসায় তিনি ভাল সাড়া দিচ্ছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল হয়েছে এবং আগের তুলনায় বেশ সুস্থ বোধ করছেন। চিকিৎসকদের একটি বিশেষজ্ঞ দল নিয়মিত তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতেও পারছেন বলে জানা গিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দু’তিন দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হতে পারে।
ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে সেলিম খানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাভেদ আখতারের সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত ‘সেলিম-জাভেদ’ জুটি বলিউডকে উপহার দিয়েছে বহু স্মরণীয় সিনেমা। ‘শোলে’, ‘জঞ্জির’ এবং ‘দিওয়ার’-এর মতো কালজয়ী ছবির চিত্রনাট্য তাঁদের হাত ধরেই তৈরি হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বলিউডে অমিতাভ বচ্চনের ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ ইমেজেরও সূচনা হয়।
বর্ষীয়ান এই চিত্রনাট্যকারের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা বার্তা জানাচ্ছেন অসংখ্য অনুরাগী। সলমন খানের ভক্তরাও তাঁর বাবার সুস্থ হয়ে দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য প্রার্থনা করছেন। খান পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবার শারীরিক অবস্থার উন্নতিতে এখন অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছেন সলমন নিজেও।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কিছুদিন তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে এবং খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা মেনে চলতে হবে। পরিবারের সদস্যরা এখন কেবল তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছেন।