সব মিলিয়ে দিনের শেষে সকলেই আশাবাদী। শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, সেই মর্মে অনেকটা পদক্ষেপ করা সম্ভবপর হয়েছে। ফলে রাত পোহালে সকলেই ফিরছেন কাজে। পাশাপাশি প্রত্যেকেই এখন রাহুলের মৃত্যুর সুবিচারের অপেক্ষায়।

শেষ আপডেট: 8 April 2026 08:25
দ্য় ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সন্ধ্যায় কর্মবিরতির নির্দেশ আশার পর থেকেই এক প্রকার প্রশ্ন ওঠে কবে আবার স্বাভাবিক হবে টলিপাড়া? তবে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কাটল জট। অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunodoy Banerjee Death) মৃত্যু সকলের টনক নড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে। বার বার প্রশ্ন উঠেছে শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে। এবার তা নিশ্চিত করতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে একাধিক বৈঠক হয়ে গেল টলিপাড়ায়। যেখানে ফেডারেশন, ইম্পা, আর্টিস্ট ফোরাম, প্রযোজনা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত থাকলেন।
দীর্ঘ বৈঠকের পর মঙ্গলবার বিকেলে জানানো হল, রাত পোহালে আবার শুরু হবে শুটিং। তবে শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তার বিষয় কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জানিয়ে দেওয়া হল তাও। এবার থেকে বিমা আবশ্যক করা হল শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য়ে।
এদিন মিটিং শেষে স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas) বললেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হবে। পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিমা অবশ্যই করব আমরা। সেই বিষয় আমরা চ্যানেল ও প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে কথাও বলব। যেটা নিয়ে আমরা চিন্তিত ছিলাম, তার ৮০ শতাংশ নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০ শতাংশ টেকনিক্যাল বিষয় আছে, সেটা নিয়ে কথা হচ্ছে। সেটাও হয়ে যাবে আশা করছি।’
তবে শোনা গেল এদিন কোনও চ্যালেন কর্তৃপক্ষ আসেনি। যদিও তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি এদিন পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘কাল থেকে স্বাভাবিক হচ্ছে শুটিং। তবে ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স (Magic Moments Motion Pictures)-কে আমরা বয়কট করছি। জাতীয় স্তরে কোথাও এই প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে কাজ করব না আমরা।’
বিমার বিষয়টা আরও স্পষ্ট করে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, ‘ছবি ও টেলিভিশনের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে, বিমা আবশ্যক। পাশাপাশি একটি ক্ষতিপূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সকলে এই নিয়মের আওতায় পড়বে। যতদিন না এই SOP তৈরি হচ্ছে, ততদিন কেউ ঝুঁকি নিয়ে শুটিং করবে না। সুষ্ঠ ভবিষ্যতের জন্য়ে আমরা একসঙ্গে লড়ব।’
সব মিলিয়ে দিনের শেষে সকলেই আশাবাদী। শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, সেই মর্মে অনেকটা পদক্ষেপ করা সম্ভবপর হয়েছে। ফলে রাত পোহালে সকলেই ফিরছেন কাজে। পাশাপাশি প্রত্যেকেই এখন রাহুলের মৃত্যুর সুবিচারের অপেক্ষায়।