দিশা পাটানীর সঙ্গে প্রেমের জল্পনার মাঝেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথা জানালেন মুখোশধারী গায়ক তলবিন্দর সিং সিদ্ধু।

দিশা পাটানী ও তলবিন্দর সিং সিদ্ধু
শেষ আপডেট: 6 February 2026 15:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সবসময়ই মুখোশের আড়ালে থেকেছে তাঁর পরিচয়। গানের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া হলেও, শিল্পীকে কেমন দেখতে, সে বিষয়ে কৌতূহলের শেষ ছিল না অনুরাগীদের। কিন্তু সেই রহস্য ভাঙল হঠাৎই। নূপুর সেননের বিয়ের অনুষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর হাত ধরে প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে তলবিন্দর সিং সিদ্ধুর (Talwinder Singh Sidhu) মুখ। আর তার পরেই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন পাঞ্জাবি এই গায়ক— এমনটাই দাবি তাঁর।
২০১৮ সালে সঙ্গীতজগতে আত্মপ্রকাশ তলবিন্দরের। একের পর এক জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের মন জয় করলেও, কখনওই নিজের মুখ প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। বিভিন্ন ধরনের মুখোশের আড়ালেই নিজেকে রেখেছেন বরাবর। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নূপুর সেনন ও স্টেবিন বেনের বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন তলবিন্দর। সেখানেই আলোচিত প্রেমিকা ও অভিনেত্রী দিশা পাটানীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যায়। সেই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাঁর মুখ।
এই অভিজ্ঞতা নিয়ে তলবিন্দর নিজেই জানান, “ঘুম থেকে উঠে দেখি, সর্বত্র আমার মুখের ছবি ঘুরছে। সেদিন আমার মানসিক অবস্থা ঠিক ছিল না। মনে হচ্ছিল, কেউ যেন আমার কাছ থেকে আমার মুখটা কেড়ে নিয়েছে। গোটা পৃথিবীটাই উলটে গিয়েছে বলে মনে হচ্ছিল।”
ক্ষোভ উগরে দিয়ে গায়ক আরও বলেন, “ওই ভিডিও নিয়ে মানুষ নিজের নিজের কনটেন্ট বানাচ্ছে। এই ভিডিও কত টাকার বিনিময়ে ফাঁস করা হয়েছিল? ৫ হাজার, ১০ হাজার না কি ৫০ হাজার? আপনারা তো একজন মানুষের স্বপ্নই খুন করে দিলেন।” তলবিন্দরের স্পষ্ট বক্তব্য, তিনি মানুষের শোনার জন্য গান বানান, দেখার জন্য নয়। তাই নিজের কণ্ঠস্বরকেই পরিচয় হিসেবে রাখতে চান তিনি, মুখকে নয়।
এই ঘটনার পাশাপাশি দিশা পাটানীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন তলবিন্দর। নূপুরের বিয়ের পর থেকেই তাঁদের প্রেম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। সেই প্রসঙ্গে গায়ক বলেন, “আমি প্রেমে পড়েছি।” তবে একই সঙ্গে জানান, তাঁরা একে অপরকে সদ্য চিনছেন। তাঁর কথায়, “ওই বিয়েবাড়িতে যাওয়ার ঠিক আগেই আমাদের পরিচয় হয়েছিল।” এত দ্রুত বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসায় দু’জনেই অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানান তলবিন্দর। কোনও চাপের মধ্যে পড়ে সম্পর্ক নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান না তাঁরা। যদিও গায়কের সংযোজন, “আমি রোজ প্রেমে পড়ি। এখনও আমি প্রেমেই রয়েছি।”