নায়িকার এক ঝলকের আশায় ঢল নেমেছিল উৎসাহী জনতার। এই প্রথম বার মাহেশে এসেছেন শ্রাবন্তী, খুশি ছিলেন তিনিও। শ্রাবন্তীকে পাশে নিয়ে মঞ্চ থেকে কী বললেন কল্যাণ?

শেষ আপডেট: 29 June 2025 14:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই পুজোতেই মুক্তি পাবে 'দেবী চৌধুরানি'। পুজো আসতে এখনও ঢের দেরি। তবে প্রচার শুরু করে দিয়েছে টিম। নামভূমিকায় শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় কখনও ছুটে যাচ্ছেন নৈহাটির বঙ্কিম-ভিটেতে আবার কখনও বা মাহেশের রথযাত্রায়। গত শুক্রবার ছিল রথযাত্রা। সেখানেই হালকা সাজে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে হাজির হয়েছিলেন নায়িকা। সঙ্গে ছিলেন ছবির পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র ও ছবির আর এক অভিনেত্রী বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়।
নায়িকার এক ঝলকের আশায় ঢল নেমেছিল উৎসাহী জনতার। এই প্রথম বার মাহেশে এসেছেন শ্রাবন্তী, খুশি ছিলেন তিনিও। শ্রাবন্তীকে পাশে নিয়ে মঞ্চ থেকে কী বললেন কল্যাণ? পাল্টা কী কথা দিয়ে গেলেন শ্রাবন্তী?
ভরামঞ্চে কল্যাণ বলেন, "আমি শ্রাবন্তীকে একটা কথা বলেছি, জিজ্ঞাসা করেছি, তুমি জগন্নাথদেবকে দর্শন করেছ? স্পর্শ করেছ? ও বলেছে হ্যাঁ। আশীর্বাদ চেয়েছ? ও তাতেও বলল হ্যাঁ। আমি তখনই ওকে বলে দিয়েছি, তুমি চিন্তা করো না, জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদে তোমার ছবি অনেক ভাল চলবে।" তবে এখানেই শেষ নয়, ছবি ভাল চললে আবারও মাহেশে আসতে হবে নায়িকাকে, আবদার জানান সাংসদ। পাল্টা সম্মতি দেন নায়িকাও। তিনি আরও বলেন, "এই প্রথমবার মাহেশে এসেছি। সবাইকে ধন্যবাদ। আমাদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সত্যিই আপ্লুত। আমি সত্যিই আবার আসব। আমি খুব ভাগ্যবতী যে জগন্নাথ দেবকে ছুঁতে পেরেছি যাকে ছুঁয়েছিলেন স্বয়ং শ্রী চৈতন্যদেব।"
তবে শুধু মাহেশই নয়, নৈহাটির বড়মা'র মন্দিরে পুজো দিয়েই এই ছবির প্রচার শুরু করেছেন শ্রাবন্তী। সেখানে উপহার হিসেবে পেয়েছেন মায়ের বেনারসীও। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'দেবী চৌধুরানি'কে ঘিরেই শুভ্রজিতের এই ছবি। ভবানী পাঠকের চরিত্রে রয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। নিশি হয়েছেন বিবৃতি। ওদিকে সাগরের ভূমিকায় দেখা যাবে দর্শনা বণিককে।